
বিডিজেন ডেস্ক

শীতকালে ফ্রিজের ব্যবহার খানিকটা কমে যায়। অনেকে শীতে কিছু সময়ের জন্য ফ্রিজ বন্ধ করে রাখেন। কারণ এসময় সব খাবার ফ্রিজে রাখার প্রয়োজনও থাকে না। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খাওয়ার কোনও দরকার পড়ে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা বাড়িয়ে রাখতে হয়। শীতেও ঠিক তেমন কমিয়ে রাখা জরুরি।
ফ্রিজের নরমাল চেম্বারের তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে সহনশীল রাখা উচিত। এতে করে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। ফ্রিজে রাখা খাবারও ভালো থাকবে।
শীতে ফ্রিজের তামপাত্রা কত রাখতে হবে জানেন কি?
শীতকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা খুব বেশি বা খুব কম সেট করবেন না। শীতকালে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখাই শ্রেয়।
রেফ্রিজারেটরের লিটার, ওয়াট এবং সাইজ অনুযায়ী রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য করতে হবে। এ জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিতে পারেন।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শীতকালে ফ্রিজের ব্যবহার খানিকটা কমে যায়। অনেকে শীতে কিছু সময়ের জন্য ফ্রিজ বন্ধ করে রাখেন। কারণ এসময় সব খাবার ফ্রিজে রাখার প্রয়োজনও থাকে না। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খাওয়ার কোনও দরকার পড়ে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা বাড়িয়ে রাখতে হয়। শীতেও ঠিক তেমন কমিয়ে রাখা জরুরি।
ফ্রিজের নরমাল চেম্বারের তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে সহনশীল রাখা উচিত। এতে করে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। ফ্রিজে রাখা খাবারও ভালো থাকবে।
শীতে ফ্রিজের তামপাত্রা কত রাখতে হবে জানেন কি?
শীতকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা খুব বেশি বা খুব কম সেট করবেন না। শীতকালে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখাই শ্রেয়।
রেফ্রিজারেটরের লিটার, ওয়াট এবং সাইজ অনুযায়ী রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য করতে হবে। এ জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিতে পারেন।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
শহরটি শুধু ইতিহাসের জন্য নয়, শিল্প ও সংস্কৃতির জন্যও সুপরিচিত। বিখ্যাত ফিনিশ কবি জোহান লুডভিগ রুনেবার্গের স্মৃতি বহন করছে এই শহর। তার বাড়ি বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও হস্তশিল্পের দোকানে স্থানীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।
ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে রক্ত-ঘাম ঝরানো আয়ের একটি অংশ যদি নিরাপদে, করমুক্তভাবে ও বাড়তি সুবিধাসহ বিনিয়োগ করতে চান—তাহলে ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। শুধু মুনাফা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা আর পারিবারিক সুরক্ষার নিশ্চয়তাও মিলবে একসঙ্গে।