
বিডিজেন ডেস্ক

কিছু কিছু দেশের মানুষ একটু বেশি লম্বা হয়। কখনো কী ভেবে দেখেছেন, কেন ওই সব দেশের মানুষ এত লম্বা হয়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের মানুষদের লম্বা হওয়ার ক্ষেত্রে পুষ্টি, জিনগত ও পরিবেশগত কিছু উপাদানের সমন্বিত ভূমিকা থাকে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিজ্ঞানীদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক এনসিডি রিস্ক ফ্যাক্টর বিশ্বের জনসংখ্যাবিষয়ক ৩ হাজার ৩০০টি জরিপের তথ্য একত্র করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং লন্ডনের ডব্লিউএইচও কোলাবোরেটিং সেন্টার অ্যাট ইম্পেরিয়াল কলেজের সহযোগিতায় কাজটি করেছে তারা। অত্যাধুনিক পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রায় ২০ কোটি অংশগ্রহণকারীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
এর ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ রয়েছে এমন দেশগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। চলুন জেনে নিই, ওই তালিকার শীর্ষ পাঁচ দেশের নাম।
নেদারল্যান্ডস
নেদারল্যান্ডসে পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৮৩ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার (৬ ফুট ০৩ ইঞ্চি)। এর মধ্য দিয়ে এটি বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে সরকারি সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো ভুর দে স্তাতিসতিয়েকের (সিবিএস) জরিপ অনুসারে, নেদারল্যান্ডসের যেসব নাগরিক ২০০১ সালে জন্ম নিয়েছে, তাদের গড় উচ্চতা ১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া মানুষের চেয়ে ১ সেন্টিমিটার কম। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে গড় উচ্চতা কমেছে ১ দশমিক ৪ সেন্টিমিটার। পরিসংখ্যানবিদদের ধারণা, উচ্চতা কমে যাওয়ার পেছনে অভিবাসনের ভূমিকা আছে।
মন্টেনিগ্রো
মন্টেনিগ্রোতে পুরুষের গড় উচ্চতা ১৮৩ দশমিক ৩৬ সেন্টিমিটার (৬ ফুট ০১ ইঞ্চি)। এর মধ্য দিয়ে এটি ইউরোপের অন্যতম লম্বা মানুষের দেশ হিসেবে খেতাব অর্জন করেছে আর লম্বা মানুষের দিক থেকে বিশ্বে এর অবস্থান দ্বিতীয়।
এস্তোনিয়া
এস্তোনিয়ার পুরুষের গড় উচ্চতা ৬ ফুট (১৮২ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার)। এটি বাল্টিক অঞ্চলে অন্যতম লম্বা মানুষের দেশ।
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় পুরুষের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ১১ দশমিক ৯ ইঞ্চি (১৮২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার)। ইউরোপের এ দেশটিও বিশ্বের লম্বা পুরুষের দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে।
আইসল্যান্ড
আইসল্যান্ডের পুরুষদেরও লম্বা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানকার পুরুষদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ১১ দশমিক ৭ ইঞ্চি (১৮২ দশমিক ১ সেন্টিমিটার)। আইসল্যান্ডের নারীরাও বেশ দীর্ঘাকায়। তাদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি (১৬৮ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার)।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কিছু কিছু দেশের মানুষ একটু বেশি লম্বা হয়। কখনো কী ভেবে দেখেছেন, কেন ওই সব দেশের মানুষ এত লম্বা হয়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের মানুষদের লম্বা হওয়ার ক্ষেত্রে পুষ্টি, জিনগত ও পরিবেশগত কিছু উপাদানের সমন্বিত ভূমিকা থাকে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিজ্ঞানীদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক এনসিডি রিস্ক ফ্যাক্টর বিশ্বের জনসংখ্যাবিষয়ক ৩ হাজার ৩০০টি জরিপের তথ্য একত্র করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং লন্ডনের ডব্লিউএইচও কোলাবোরেটিং সেন্টার অ্যাট ইম্পেরিয়াল কলেজের সহযোগিতায় কাজটি করেছে তারা। অত্যাধুনিক পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রায় ২০ কোটি অংশগ্রহণকারীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
এর ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ রয়েছে এমন দেশগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। চলুন জেনে নিই, ওই তালিকার শীর্ষ পাঁচ দেশের নাম।
নেদারল্যান্ডস
নেদারল্যান্ডসে পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৮৩ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার (৬ ফুট ০৩ ইঞ্চি)। এর মধ্য দিয়ে এটি বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে সরকারি সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো ভুর দে স্তাতিসতিয়েকের (সিবিএস) জরিপ অনুসারে, নেদারল্যান্ডসের যেসব নাগরিক ২০০১ সালে জন্ম নিয়েছে, তাদের গড় উচ্চতা ১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া মানুষের চেয়ে ১ সেন্টিমিটার কম। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে গড় উচ্চতা কমেছে ১ দশমিক ৪ সেন্টিমিটার। পরিসংখ্যানবিদদের ধারণা, উচ্চতা কমে যাওয়ার পেছনে অভিবাসনের ভূমিকা আছে।
মন্টেনিগ্রো
মন্টেনিগ্রোতে পুরুষের গড় উচ্চতা ১৮৩ দশমিক ৩৬ সেন্টিমিটার (৬ ফুট ০১ ইঞ্চি)। এর মধ্য দিয়ে এটি ইউরোপের অন্যতম লম্বা মানুষের দেশ হিসেবে খেতাব অর্জন করেছে আর লম্বা মানুষের দিক থেকে বিশ্বে এর অবস্থান দ্বিতীয়।
এস্তোনিয়া
এস্তোনিয়ার পুরুষের গড় উচ্চতা ৬ ফুট (১৮২ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার)। এটি বাল্টিক অঞ্চলে অন্যতম লম্বা মানুষের দেশ।
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় পুরুষের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ১১ দশমিক ৯ ইঞ্চি (১৮২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার)। ইউরোপের এ দেশটিও বিশ্বের লম্বা পুরুষের দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে।
আইসল্যান্ড
আইসল্যান্ডের পুরুষদেরও লম্বা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানকার পুরুষদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ১১ দশমিক ৭ ইঞ্চি (১৮২ দশমিক ১ সেন্টিমিটার)। আইসল্যান্ডের নারীরাও বেশ দীর্ঘাকায়। তাদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি (১৬৮ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার)।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
শহরটি শুধু ইতিহাসের জন্য নয়, শিল্প ও সংস্কৃতির জন্যও সুপরিচিত। বিখ্যাত ফিনিশ কবি জোহান লুডভিগ রুনেবার্গের স্মৃতি বহন করছে এই শহর। তার বাড়ি বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও হস্তশিল্পের দোকানে স্থানীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।
ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে রক্ত-ঘাম ঝরানো আয়ের একটি অংশ যদি নিরাপদে, করমুক্তভাবে ও বাড়তি সুবিধাসহ বিনিয়োগ করতে চান—তাহলে ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। শুধু মুনাফা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা আর পারিবারিক সুরক্ষার নিশ্চয়তাও মিলবে একসঙ্গে।