
বিডিজেন ডেস্ক

মেটার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত বার্তা, ছবি, ভিডিও ও নথি আদান-প্রদান করেন অনেকেই। কিন্তু স্মার্টফোন চুরি হলে বা পরিবর্তন করলে এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে চাইলেই হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা সব তথ্য গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণ করা যায়। চলুন জেনে নিই, হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা সব তথ্য কীভাবে গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণ করবেন।
গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণের জন্য প্রথমে স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ চালু করে ওপরের ডান কোণে থাকা তিনটি ডট আইকনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে সেটিংস নির্বাচনের পর চ্যাটস বিভাগে প্রবেশ করে চ্যাট ব্যাকআপ অপশনে ট্যাপ করতে হবে। এবার ভিডিও ব্যাকআপ হিসেবে রাখতে চাইলে ইনক্লুড ভিডিওর পাশে থাকা টগল চালু করতে হবে।
এবার গুগল অ্যাকাউন্ট অপশনে গিয়ে ডেটা সংরক্ষণের জন্য পছন্দের গুগল অ্যাকাউন্টটি নির্বাচন করতে হবে। যদি কোনো অ্যাকাউন্ট যুক্ত না থাকে তবে নতুন করে অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হবে।
এরপর গুগল অ্যাকাউন্ট অথেনটিকেশন যাচাই করার পর ব্যাকআপ বাটনে প্রেস করতে হবে।
তথ্যসূত্র: হোয়াটসঅ্যাপ

মেটার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত বার্তা, ছবি, ভিডিও ও নথি আদান-প্রদান করেন অনেকেই। কিন্তু স্মার্টফোন চুরি হলে বা পরিবর্তন করলে এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে চাইলেই হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা সব তথ্য গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণ করা যায়। চলুন জেনে নিই, হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা সব তথ্য কীভাবে গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণ করবেন।
গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণের জন্য প্রথমে স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ চালু করে ওপরের ডান কোণে থাকা তিনটি ডট আইকনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে সেটিংস নির্বাচনের পর চ্যাটস বিভাগে প্রবেশ করে চ্যাট ব্যাকআপ অপশনে ট্যাপ করতে হবে। এবার ভিডিও ব্যাকআপ হিসেবে রাখতে চাইলে ইনক্লুড ভিডিওর পাশে থাকা টগল চালু করতে হবে।
এবার গুগল অ্যাকাউন্ট অপশনে গিয়ে ডেটা সংরক্ষণের জন্য পছন্দের গুগল অ্যাকাউন্টটি নির্বাচন করতে হবে। যদি কোনো অ্যাকাউন্ট যুক্ত না থাকে তবে নতুন করে অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হবে।
এরপর গুগল অ্যাকাউন্ট অথেনটিকেশন যাচাই করার পর ব্যাকআপ বাটনে প্রেস করতে হবে।
তথ্যসূত্র: হোয়াটসঅ্যাপ
শহরটি শুধু ইতিহাসের জন্য নয়, শিল্প ও সংস্কৃতির জন্যও সুপরিচিত। বিখ্যাত ফিনিশ কবি জোহান লুডভিগ রুনেবার্গের স্মৃতি বহন করছে এই শহর। তার বাড়ি বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও হস্তশিল্পের দোকানে স্থানীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।
ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে রক্ত-ঘাম ঝরানো আয়ের একটি অংশ যদি নিরাপদে, করমুক্তভাবে ও বাড়তি সুবিধাসহ বিনিয়োগ করতে চান—তাহলে ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। শুধু মুনাফা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা আর পারিবারিক সুরক্ষার নিশ্চয়তাও মিলবে একসঙ্গে।