
বিডিজেন ডেস্ক

স্বাদে এবং পুষ্টিগুণে অতুলনীয় হওয়ায় পালং শাককে বলা হয় সুপারফুড । শীতকালীন শাক হলেও আজকাল প্রায় সারাবছরই এটি পাওয়া যায়।
চিকিৎসকদের মতে, এই শাক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সত্যিই শরীরের জন্য ভালো, তাই একে 'সুপারফুড' বলা হয়। এর মধ্যে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। তবে, আশ্চর্য বিষয় হল এই উপকারী শাক সবার জন্য উপযুক্ত নয়! কারা খাবেন না? জেনে নিন।
পালং শাকে ভিটামিন এ, সি, কে ও ফোলেট রয়েছে। এগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়, হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু এটি কিছু মানুষের জন্য সমস্যার কারণও হতে পারে।
এতে থাকা ভিটামিন কে রক্ত তরল করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। ফলে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তিদের জন্য এটি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, পালং শাকে কিছু যৌগ রয়েছে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এছাড়া পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট যৌগ থাকে। বেশি পরিমাণে পালং শাক খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে ফুটিয়ে রান্না করলে অক্সালেটের মাত্রা কিছুটা কমে যায়। তাই এই শাক সঠিকভাবে রান্না করেই খাওয়া উচিত।
নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারীদের পালং শাক খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিশেষত, রক্ত তরল করার প্রভাবের কারণে এটি কিছু মানুষের অ্যানিমিয়া বা রক্তক্ষরণের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কিছু শাকসবজি পিউরিন সমৃদ্ধ হয়, যা কিছু মানুষের জন্য উপকারী হলেও অন্যদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই পালং শাক খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পালং রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে পারে। তবে যদি কারও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের সমস্যা আগে থেকেই থাকে, তাহলে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পালং খাওয়াই ভালো।
তথ্যসূত্র: নিউজ১৮

স্বাদে এবং পুষ্টিগুণে অতুলনীয় হওয়ায় পালং শাককে বলা হয় সুপারফুড । শীতকালীন শাক হলেও আজকাল প্রায় সারাবছরই এটি পাওয়া যায়।
চিকিৎসকদের মতে, এই শাক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সত্যিই শরীরের জন্য ভালো, তাই একে 'সুপারফুড' বলা হয়। এর মধ্যে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। তবে, আশ্চর্য বিষয় হল এই উপকারী শাক সবার জন্য উপযুক্ত নয়! কারা খাবেন না? জেনে নিন।
পালং শাকে ভিটামিন এ, সি, কে ও ফোলেট রয়েছে। এগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়, হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু এটি কিছু মানুষের জন্য সমস্যার কারণও হতে পারে।
এতে থাকা ভিটামিন কে রক্ত তরল করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। ফলে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তিদের জন্য এটি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, পালং শাকে কিছু যৌগ রয়েছে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এছাড়া পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট যৌগ থাকে। বেশি পরিমাণে পালং শাক খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে ফুটিয়ে রান্না করলে অক্সালেটের মাত্রা কিছুটা কমে যায়। তাই এই শাক সঠিকভাবে রান্না করেই খাওয়া উচিত।
নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারীদের পালং শাক খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিশেষত, রক্ত তরল করার প্রভাবের কারণে এটি কিছু মানুষের অ্যানিমিয়া বা রক্তক্ষরণের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কিছু শাকসবজি পিউরিন সমৃদ্ধ হয়, যা কিছু মানুষের জন্য উপকারী হলেও অন্যদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই পালং শাক খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পালং রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে পারে। তবে যদি কারও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের সমস্যা আগে থেকেই থাকে, তাহলে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পালং খাওয়াই ভালো।
তথ্যসূত্র: নিউজ১৮
শহরটি শুধু ইতিহাসের জন্য নয়, শিল্প ও সংস্কৃতির জন্যও সুপরিচিত। বিখ্যাত ফিনিশ কবি জোহান লুডভিগ রুনেবার্গের স্মৃতি বহন করছে এই শহর। তার বাড়ি বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও হস্তশিল্পের দোকানে স্থানীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।
ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে রক্ত-ঘাম ঝরানো আয়ের একটি অংশ যদি নিরাপদে, করমুক্তভাবে ও বাড়তি সুবিধাসহ বিনিয়োগ করতে চান—তাহলে ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। শুধু মুনাফা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা আর পারিবারিক সুরক্ষার নিশ্চয়তাও মিলবে একসঙ্গে।