
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) সেবায় কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি এক বৈঠকের পর এমন নির্দেশনা সব থানা/উপজেলা কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন ইসি সচিব শফিউল আজিম।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি কার্যালয়কে জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণকে সেবাদান করতে হবে এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে উদ্যোগ গ্রহণ করে জনবান্ধব কার্যালয় পরিচালনার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় সেবা প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করবেন। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অফিসের সেবা কর্নার বা হেল্প ডেস্কে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি অফিসকেই সামগ্রিক সেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্দেশনায় ইসি সচিব বলেন, উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করতে হবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তির ব্যবস্থা এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করতে হবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) সেবায় কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি এক বৈঠকের পর এমন নির্দেশনা সব থানা/উপজেলা কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন ইসি সচিব শফিউল আজিম।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি কার্যালয়কে জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণকে সেবাদান করতে হবে এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে উদ্যোগ গ্রহণ করে জনবান্ধব কার্যালয় পরিচালনার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় সেবা প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করবেন। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অফিসের সেবা কর্নার বা হেল্প ডেস্কে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি অফিসকেই সামগ্রিক সেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্দেশনায় ইসি সচিব বলেন, উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করতে হবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তির ব্যবস্থা এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করতে হবে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।