
বিডিজেন ডেস্ক

মানি লন্ডারিং ঠেকাতে নগদ অর্থে গাড়ি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত সরকার। আগামী ১ অক্টোবর থেকে দেশটিতে ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়া গাড়ি কেনা যাবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সন্দেহজনক অর্থপাচার কার্যক্রম এবং আর্থিক অপরাধ দমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়, নগদ অর্থে গাড়ি বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞার কারণে অর্থের গতিবিধি, উৎস, চূড়ান্ত গন্তব্য যাচাই করা সম্ভব হবে এবং আর্থিক যে কোনো অবৈধ অপরাধ এড়নো যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে জরিমানা এবং একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। তবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে কুয়েতের আদালত বেশ কয়েকটি অর্থ পাচারের মামলায় রায় দিয়েছে। গত বছর,
কুয়েতের ফৌজদারি আদালত একটি হাই-প্রোফাইল মানি লন্ডারিং মামলায় শাসক পরিবারের একজন সদস্য, একজন অংশীদার এবং দুই প্রবাসীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন। এছাড়া তাদেরকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে সাড়ে ১৪ কোটি কুয়তেই দিনার জরিমানা করা হয়।
গত ফেব্রুয়ারিতে কুয়েতের একটি আদালত অর্থ পাচার, জালিয়াতি এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সাত প্রবাসীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

মানি লন্ডারিং ঠেকাতে নগদ অর্থে গাড়ি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত সরকার। আগামী ১ অক্টোবর থেকে দেশটিতে ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়া গাড়ি কেনা যাবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সন্দেহজনক অর্থপাচার কার্যক্রম এবং আর্থিক অপরাধ দমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়, নগদ অর্থে গাড়ি বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞার কারণে অর্থের গতিবিধি, উৎস, চূড়ান্ত গন্তব্য যাচাই করা সম্ভব হবে এবং আর্থিক যে কোনো অবৈধ অপরাধ এড়নো যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে জরিমানা এবং একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। তবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে কুয়েতের আদালত বেশ কয়েকটি অর্থ পাচারের মামলায় রায় দিয়েছে। গত বছর,
কুয়েতের ফৌজদারি আদালত একটি হাই-প্রোফাইল মানি লন্ডারিং মামলায় শাসক পরিবারের একজন সদস্য, একজন অংশীদার এবং দুই প্রবাসীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন। এছাড়া তাদেরকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে সাড়ে ১৪ কোটি কুয়তেই দিনার জরিমানা করা হয়।
গত ফেব্রুয়ারিতে কুয়েতের একটি আদালত অর্থ পাচার, জালিয়াতি এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সাত প্রবাসীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।