
প্রতিবেদক, বিডিজেন

চট্টগ্রামের রাউজানে ওমান-প্রবাসী ইয়াছিন চৌধুরীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। পরে তাঁর বাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
সোমবার দুপুরে চিকদাইর ইউনিয়নের দক্ষিণ সর্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন চৌধুরী রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ওমানে ব্যবসা করেন। তবে রাউজানে সশরীরে না থাকলেও ঠিকাদারী ব্যবসার সাথে জড়িত। চিকদাইর ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে ইয়াছিন বা তাঁর পরিবারের কেউ থাকতেন না। তবে ঈদ বা বিভিন্ন উৎসবে পরিবার নিয়ে আসতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, সোমবার আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ২০ থেকে ২২টি মোটরসাইকেলে করে একদল দুর্বৃত্ত ইয়াছিন চৌধুরীর বাড়িতে আসে। এ সময় ওই বাড়িতে মোস্তফা নামের এক তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া আর কেউ ছিল না। দুর্বত্তরা দ্বিতল ভবনের বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। কিছু কিছু জিনিসপত্রে আগুন দেয়।
এ বিষয়ে রাউজান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শামসুল আলম জানান, আগুনের খবর পেয়ে সেখানে যায় ফায়ার সার্ভিস। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। এ ঘটনায় কিছু আসবাবপত্র পুড়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অবশ্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের রাউজানে ওমান-প্রবাসী ইয়াছিন চৌধুরীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। পরে তাঁর বাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
সোমবার দুপুরে চিকদাইর ইউনিয়নের দক্ষিণ সর্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন চৌধুরী রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ওমানে ব্যবসা করেন। তবে রাউজানে সশরীরে না থাকলেও ঠিকাদারী ব্যবসার সাথে জড়িত। চিকদাইর ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে ইয়াছিন বা তাঁর পরিবারের কেউ থাকতেন না। তবে ঈদ বা বিভিন্ন উৎসবে পরিবার নিয়ে আসতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, সোমবার আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ২০ থেকে ২২টি মোটরসাইকেলে করে একদল দুর্বৃত্ত ইয়াছিন চৌধুরীর বাড়িতে আসে। এ সময় ওই বাড়িতে মোস্তফা নামের এক তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া আর কেউ ছিল না। দুর্বত্তরা দ্বিতল ভবনের বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। কিছু কিছু জিনিসপত্রে আগুন দেয়।
এ বিষয়ে রাউজান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শামসুল আলম জানান, আগুনের খবর পেয়ে সেখানে যায় ফায়ার সার্ভিস। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। এ ঘটনায় কিছু আসবাবপত্র পুড়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অবশ্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।