
বিডিজেন ডেস্ক

আগস্ট মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে। একই মাসে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই ধরনের পর্যালোচনার সংখ্যা ৮৭৮টি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর অনলাইনে এ তথ্য জানান হয়েছে।
হিন্দু অনলাইনের রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকলেও এরই মধ্যে চার শতাধিক নাগরিকের ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে দেশটি।
ভিসা দেওয়ার আগে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীর অতীত ভ্রমণ ইতিহাস পর্যালোচনা করা হয়। আগস্ট মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে। তবে এই সময়ের মধ্যে মোট কতটি ভিসা দেওয়া হয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাস ধরে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো কেবল শিক্ষার্থীদের এবং এর পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যেতে ইচ্ছুক রোগীদের সীমিত সংখ্যক ভিসা দিচ্ছে। জরুরি এসব ভিসাই মূলত পর্যালোচনা করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেন, ‘গত আগস্টে বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি প্রিয়ার রেফারেল চেক (পিআরসি) কেস ক্লিয়ার করা হয়েছে। একই মাসে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই ধরনের পর্যালোচনার সংখ্যা ৮৭৮টি।’
উল্লেখ্য, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ভারতে বেড়াতে যান। ওই কর্মকর্তার হিসাবে, গত বছর প্রায় ১৬ লাখ বাংলাদেশি নাগরিককে ভিসা দিয়েছে ভারত।

আগস্ট মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে। একই মাসে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই ধরনের পর্যালোচনার সংখ্যা ৮৭৮টি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর অনলাইনে এ তথ্য জানান হয়েছে।
হিন্দু অনলাইনের রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকলেও এরই মধ্যে চার শতাধিক নাগরিকের ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে দেশটি।
ভিসা দেওয়ার আগে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীর অতীত ভ্রমণ ইতিহাস পর্যালোচনা করা হয়। আগস্ট মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি ভিসা আবেদন পর্যালোচনা করেছে। তবে এই সময়ের মধ্যে মোট কতটি ভিসা দেওয়া হয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাস ধরে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো কেবল শিক্ষার্থীদের এবং এর পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যেতে ইচ্ছুক রোগীদের সীমিত সংখ্যক ভিসা দিচ্ছে। জরুরি এসব ভিসাই মূলত পর্যালোচনা করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেন, ‘গত আগস্টে বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪৩৪টি প্রিয়ার রেফারেল চেক (পিআরসি) কেস ক্লিয়ার করা হয়েছে। একই মাসে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই ধরনের পর্যালোচনার সংখ্যা ৮৭৮টি।’
উল্লেখ্য, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ভারতে বেড়াতে যান। ওই কর্মকর্তার হিসাবে, গত বছর প্রায় ১৬ লাখ বাংলাদেশি নাগরিককে ভিসা দিয়েছে ভারত।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।