
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সততা, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে ভিত্তি করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) অবদান রাখাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।
তারা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে দেশের টেকসই উন্নয়নে যুক্ত করতেই সংগঠনটি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন। কোনো ব্যক্তিগত লাভ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের সঙ্গে সংগঠনটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সততা, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে ভিত্তি করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখাই বিডিপিএফের মূল লক্ষ্য।
তারা জানান, বিশ্বের যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, বাংলাদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা যেন তাদের জ্ঞান, গবেষণা ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিডিপিএফ কাজ করছে। ‘Our contributions to a better tomorrow’ স্লোগান ধারণ করে ২০১৪ সাল থেকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সংগঠনটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সংগঠনের সদস্য সচিব ড. আতিকুর রহমান বলেন, "শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্রের টেকসই পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলেও কেবল ডিগ্রি অর্জন যথেষ্ট নয়, সেই জ্ঞানকে বাস্তব উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই বিডিপিএফ গবেষণা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।"
তিনি আরও বলেন, "অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থী, গবেষক ও পেশাজীবীরা বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও নতুন ধারণার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।"
সংবাদ সম্মেলনে বিডিপিএফের সদস্য ড. মো. আব্দুল হাই বলেন, "সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে নীতি–পরামর্শ, গবেষণা সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বিডিপিএফ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, নীতি প্রণয়ন ও মূল্যায়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে সংগঠনটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।"

সততা, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে ভিত্তি করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) অবদান রাখাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।
তারা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে দেশের টেকসই উন্নয়নে যুক্ত করতেই সংগঠনটি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন। কোনো ব্যক্তিগত লাভ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের সঙ্গে সংগঠনটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সততা, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে ভিত্তি করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখাই বিডিপিএফের মূল লক্ষ্য।
তারা জানান, বিশ্বের যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, বাংলাদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা যেন তাদের জ্ঞান, গবেষণা ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিডিপিএফ কাজ করছে। ‘Our contributions to a better tomorrow’ স্লোগান ধারণ করে ২০১৪ সাল থেকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সংগঠনটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সংগঠনের সদস্য সচিব ড. আতিকুর রহমান বলেন, "শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্রের টেকসই পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলেও কেবল ডিগ্রি অর্জন যথেষ্ট নয়, সেই জ্ঞানকে বাস্তব উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই বিডিপিএফ গবেষণা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।"
তিনি আরও বলেন, "অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থী, গবেষক ও পেশাজীবীরা বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও নতুন ধারণার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।"
সংবাদ সম্মেলনে বিডিপিএফের সদস্য ড. মো. আব্দুল হাই বলেন, "সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে নীতি–পরামর্শ, গবেষণা সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বিডিপিএফ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, নীতি প্রণয়ন ও মূল্যায়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে সংগঠনটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।"
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।