

বিডিজেন ডেস্ক

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কবির হোসেন নামের এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করার পর গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুজায়েতপুর গ্রামের পূর্ব জামে মসজিদের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত কবির হোসেন ওরফে ছালি কবির (৩৫) আলাইপুর ইউনিয়নের সুজায়েতপুর গ্রামের মৃত নুরনবীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এলাকায় ফেরেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে তিনি বাড়ির পাশের মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান। ইমামের পেছনে জুমার ফরজ নামাজ আদায় করেই তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে যান। এ সময় মুখোশ পরা ৫-৬ জন ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সেখানে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কবির মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার বাঁ পায়ের রগ ও গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
কবিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল বলে জানান স্থানীয়রা। তবে পুলিশ ও তার স্বজনেরা এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানাতে পারব।’

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কবির হোসেন নামের এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করার পর গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুজায়েতপুর গ্রামের পূর্ব জামে মসজিদের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত কবির হোসেন ওরফে ছালি কবির (৩৫) আলাইপুর ইউনিয়নের সুজায়েতপুর গ্রামের মৃত নুরনবীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এলাকায় ফেরেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে তিনি বাড়ির পাশের মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান। ইমামের পেছনে জুমার ফরজ নামাজ আদায় করেই তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে যান। এ সময় মুখোশ পরা ৫-৬ জন ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সেখানে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কবির মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার বাঁ পায়ের রগ ও গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
কবিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল বলে জানান স্থানীয়রা। তবে পুলিশ ও তার স্বজনেরা এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানাতে পারব।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।