
আব্দুস সবুর

‘‘আমি আইছিলাম জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে। ছুটির মেয়াদ শেষ মার্চ মাসের ৯ তারিখে। তার আগে যাওয়ার জন্য টিকিট কাটছিলাম। ছুটি ফুরানোর আগে না যাইতে পারি তাইলে আর যাইতে পারুম না। কিন্তু বিমানবন্দরে আইসা জানতে পারি ফ্লাইট বাতিল হইছে।’’
এসব কথা বলছিলেন সৌদিপ্রবাসী সাইফুল ইসলাম। তিনি বিগত তিন বছর সৌদি আরবে চাকরি করে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন।
শুধু তিনি এক নন, একই ধরনের সমস্যাসহ অনেকে সৌদি আরবের কফিল, কোম্পানির চাপ ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে যেতে তড়িঘড়ি করছেন। তাদের মধ্যে অনেকে বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পারছেন ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
জামালপুর জেলার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি সৌদি আরবের রিয়াদে যেতে চেয়েছিলাম। বিকেল ৩টায় ফ্লাইট ছিল। কিন্তু সেটি বাতিল হয়েছে। আমাদের এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা পরে ফ্লাইটের সময় জানিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা জেনে আসছিলাম সৌদির রিয়াদ, জেদ্দা এসব জায়গায় বিমান যাচ্ছে। কিন্তু আসার পর শুনতেছি ফ্লাইট বন্ধ।
গ্রিণ বাংলা ইন্টারন্যাশনালের একজন যাত্রী আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, “আমার ফ্লাইট ছিল ইনডিগোতে। কিন্তু বিমানবন্দরে আওয়ার পর হুনতেছি ফ্লাইট যাইবো না।”
তিনি আরও বলেন, “আমাগো সব কিছু যুদ্ধের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। আজকে (৪ মার্চ) ফ্লাইটের ডেট ছিল তাই আইয়া পড়ছিলাম। এখন ভিতরে যাওয়া পর বলা হয় আজ যাওয়া হবে না।
চাকরি বাঁচাতে যাচ্ছেন অনেকে
আজ বুধবার (৪ মার্চ) সরেজমিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেখা যায়, চাকরি বাঁচাতে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে এসেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকে এসেছেন ওমরাহ করার জন্য।
জসিম আলী নামের সৌদিপ্রবাসী একজন বলেন, আমার কফিল যেতে বলছে, তাই সেখানে যাচ্ছি। কারণ তাদের কথা না শুনলে চাকরি হারাতে পারি। আমি ছুটিতে আসছিলাম। দুই মাস থাকার পর যাচ্ছি।
আবদুল ওয়াদুদ নামের একজন যাত্রী ওমরাহ করার জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি ওমরাহ করার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। আজকে ফ্লাইটের তারিখ ছিল। তাই বিমানবন্দরে এসেছি। যুদ্ধের মধ্যে যেতে ভয় লাগছে না। কারণ ইরান শুধু আমেরিকার স্থাপনায় হামলা করছে। সব জায়গায় মিসাইল ফেলছে না। আর আল্লাহ যা ভালো মনে করেন তাই হবে আমাদের জন্য। একই ফ্লাইটে যাওয়া আরেকজন যাত্রীও একই ধরনের কথা বলেছেন।
ফ্লাইট বাতিল, প্রবাসীদের দুর্ভোগ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে ৬টি রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাস্কাট রুটে ফ্লাইট যথারীতি চালু আছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচের সব ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এটা আমাদের আগের ঘোষণা তাই আর যাত্রীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নেই। তাই যাত্রীদের টিকিট রিশিডিউল এবং কারও কারও টাকা রিফান্ড করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরে বেসরকারি এয়ারলাইনসের যাত্রী নিতে হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি
৪ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে এক হাজারের বেশি জনকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং ১০০ জনের বেশি মানুষকে ওয়েজ আর্নাস বোর্ড আবাসন সুবিধার ব্যবস্থা করেছিল। তবে ৩ মার্চ থেকে এই ব্যবস্থায় আর কেউ নেই। অন্যদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া সৌদি এয়ারলাইনসসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইনসের যাত্রীদের নিতে বিমানবন্দরে হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি করতে দেখা যায়।
সৌদিগামী একজন যাত্রী বলেন, আমরা দুপুরের দিকে বিমানবন্দরের ভিতরে গেছিলাম। পরে সেখান থেকে জানানো হয় ফ্লাইট বাতিল। এখন ৬ নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর হোটেলকর্মীরা ধরে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়েছে। সেখানে নাকি ফ্রিতে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করে একজন হোটেল কর্মী বলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের হোটেলে নিতে পারলে সব ব্যয় এয়ারলাইনস বহন করবে। তাই আমরা এখানে এসেছি যাত্রীদের নিতে।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলার একজন বাসিন্দা বলেন, দুপুরে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর বাইরে আসলাম। বুঝতেছি না, আসলে কোথায় যাব। কবে ফ্লাইট সেটাও জানি না। ভাবতাছি এজেন্সির থেকে খবর নিমু কবে ফ্লাইট হইতে পারে। দুই বা এক দিনের মধ্যে হইলে ঢাকায় থাকমু আর না হলে বাড়ি যামু গা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে যাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থা ছিল এখন আর নেই। কারণ এখন খুব বেশি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে না। আর অনেক ফ্লাইটের তথ্য আগে থেকেই জানানো হচ্ছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, প্রবাসী কল্যাণ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিভিল এভিয়েশন মিলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। নতুন করে যাওয়ার ব্যাপারে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এ ছাড়া, টিকিট ও ভিসা জটিলতা নিরসনে সর্বোচ্চ সহযোগীতার ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।
আরও পড়ুন

‘‘আমি আইছিলাম জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে। ছুটির মেয়াদ শেষ মার্চ মাসের ৯ তারিখে। তার আগে যাওয়ার জন্য টিকিট কাটছিলাম। ছুটি ফুরানোর আগে না যাইতে পারি তাইলে আর যাইতে পারুম না। কিন্তু বিমানবন্দরে আইসা জানতে পারি ফ্লাইট বাতিল হইছে।’’
এসব কথা বলছিলেন সৌদিপ্রবাসী সাইফুল ইসলাম। তিনি বিগত তিন বছর সৌদি আরবে চাকরি করে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন।
শুধু তিনি এক নন, একই ধরনের সমস্যাসহ অনেকে সৌদি আরবের কফিল, কোম্পানির চাপ ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে যেতে তড়িঘড়ি করছেন। তাদের মধ্যে অনেকে বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পারছেন ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
জামালপুর জেলার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি সৌদি আরবের রিয়াদে যেতে চেয়েছিলাম। বিকেল ৩টায় ফ্লাইট ছিল। কিন্তু সেটি বাতিল হয়েছে। আমাদের এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা পরে ফ্লাইটের সময় জানিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা জেনে আসছিলাম সৌদির রিয়াদ, জেদ্দা এসব জায়গায় বিমান যাচ্ছে। কিন্তু আসার পর শুনতেছি ফ্লাইট বন্ধ।
গ্রিণ বাংলা ইন্টারন্যাশনালের একজন যাত্রী আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, “আমার ফ্লাইট ছিল ইনডিগোতে। কিন্তু বিমানবন্দরে আওয়ার পর হুনতেছি ফ্লাইট যাইবো না।”
তিনি আরও বলেন, “আমাগো সব কিছু যুদ্ধের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। আজকে (৪ মার্চ) ফ্লাইটের ডেট ছিল তাই আইয়া পড়ছিলাম। এখন ভিতরে যাওয়া পর বলা হয় আজ যাওয়া হবে না।
চাকরি বাঁচাতে যাচ্ছেন অনেকে
আজ বুধবার (৪ মার্চ) সরেজমিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেখা যায়, চাকরি বাঁচাতে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে এসেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকে এসেছেন ওমরাহ করার জন্য।
জসিম আলী নামের সৌদিপ্রবাসী একজন বলেন, আমার কফিল যেতে বলছে, তাই সেখানে যাচ্ছি। কারণ তাদের কথা না শুনলে চাকরি হারাতে পারি। আমি ছুটিতে আসছিলাম। দুই মাস থাকার পর যাচ্ছি।
আবদুল ওয়াদুদ নামের একজন যাত্রী ওমরাহ করার জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি ওমরাহ করার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। আজকে ফ্লাইটের তারিখ ছিল। তাই বিমানবন্দরে এসেছি। যুদ্ধের মধ্যে যেতে ভয় লাগছে না। কারণ ইরান শুধু আমেরিকার স্থাপনায় হামলা করছে। সব জায়গায় মিসাইল ফেলছে না। আর আল্লাহ যা ভালো মনে করেন তাই হবে আমাদের জন্য। একই ফ্লাইটে যাওয়া আরেকজন যাত্রীও একই ধরনের কথা বলেছেন।
ফ্লাইট বাতিল, প্রবাসীদের দুর্ভোগ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে ৬টি রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাস্কাট রুটে ফ্লাইট যথারীতি চালু আছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচের সব ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এটা আমাদের আগের ঘোষণা তাই আর যাত্রীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নেই। তাই যাত্রীদের টিকিট রিশিডিউল এবং কারও কারও টাকা রিফান্ড করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরে বেসরকারি এয়ারলাইনসের যাত্রী নিতে হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি
৪ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে এক হাজারের বেশি জনকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং ১০০ জনের বেশি মানুষকে ওয়েজ আর্নাস বোর্ড আবাসন সুবিধার ব্যবস্থা করেছিল। তবে ৩ মার্চ থেকে এই ব্যবস্থায় আর কেউ নেই। অন্যদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া সৌদি এয়ারলাইনসসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইনসের যাত্রীদের নিতে বিমানবন্দরে হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি করতে দেখা যায়।
সৌদিগামী একজন যাত্রী বলেন, আমরা দুপুরের দিকে বিমানবন্দরের ভিতরে গেছিলাম। পরে সেখান থেকে জানানো হয় ফ্লাইট বাতিল। এখন ৬ নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর হোটেলকর্মীরা ধরে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়েছে। সেখানে নাকি ফ্রিতে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করে একজন হোটেল কর্মী বলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের হোটেলে নিতে পারলে সব ব্যয় এয়ারলাইনস বহন করবে। তাই আমরা এখানে এসেছি যাত্রীদের নিতে।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলার একজন বাসিন্দা বলেন, দুপুরে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর বাইরে আসলাম। বুঝতেছি না, আসলে কোথায় যাব। কবে ফ্লাইট সেটাও জানি না। ভাবতাছি এজেন্সির থেকে খবর নিমু কবে ফ্লাইট হইতে পারে। দুই বা এক দিনের মধ্যে হইলে ঢাকায় থাকমু আর না হলে বাড়ি যামু গা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে যাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থা ছিল এখন আর নেই। কারণ এখন খুব বেশি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে না। আর অনেক ফ্লাইটের তথ্য আগে থেকেই জানানো হচ্ছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, প্রবাসী কল্যাণ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিভিল এভিয়েশন মিলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। নতুন করে যাওয়ার ব্যাপারে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এ ছাড়া, টিকিট ও ভিসা জটিলতা নিরসনে সর্বোচ্চ সহযোগীতার ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।
আরও পড়ুন
জসিম আলী নামের সৌদিপ্রবাসী একজন বলেন, আমার কফিল যেতে বলছে, তাই সেখানে যাচ্ছি। কারণ তাদের কথা না শুনলে চাকরি হারাতে পারি। আমি ছুটিতে আসছিলাম। দুই মাস থাকার পর যাচ্ছি।
বেবিচক জানিয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ, দাম্মাম, দোহা ও কুয়েত।
আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৫টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।