
বিডিজেন ডেস্ক

অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়া।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় জানানো হয়, ইথিওপিয়ার স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দেশটি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গেডিওন টিমোথিওসের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই মন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় করেন।
গেডিওন বলেন, ইথিওপিয়া ক্রমাগত টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। বাংলাদেশিকে কোম্পানিগুলোকে সেদেশের সরকারের চিহ্নিত অগ্রাধিকারমূলক বিনিয়োগ খাতগুলোতে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানান তিনি। এই খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্প এবং সামগ্রিক উৎপাদন খাত।
ইথিওপিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন খলিলুর রহমান।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়া।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় জানানো হয়, ইথিওপিয়ার স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দেশটি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গেডিওন টিমোথিওসের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই মন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় করেন।
গেডিওন বলেন, ইথিওপিয়া ক্রমাগত টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। বাংলাদেশিকে কোম্পানিগুলোকে সেদেশের সরকারের চিহ্নিত অগ্রাধিকারমূলক বিনিয়োগ খাতগুলোতে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানান তিনি। এই খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্প এবং সামগ্রিক উৎপাদন খাত।
ইথিওপিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন খলিলুর রহমান।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।