
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেছেন, উন্মুক্ত শর্তের মাধ্যমে সব এজেন্সির কাজের ভিত্তিতে লাইসেন্সগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। দেশে যে পরিমাণ রিক্রুটিং লাইসেন্স রয়েছে এতগুলোর প্রয়োজন নেই এবং যাদের পারফরম্যান্স ভালো নয় তাদের লাইসেন্স বন্ধ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷
আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) একাংশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গেছে। তারা মালয়েশিয়ার দেওয়া শর্ত পূরণ করা এজেন্সিদের তালিকা দূতাবাসে পাঠিয়েছে।
এ ছাড়া, দেশের মানুষ যাতে কম খরচে বিদেশ যেতে পারে সে বিষয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০টি শর্তের মধ্যে ৭টা পূরণ করেছে ২৬০ টি এজেন্সি এবং ৬টি পূরণ করেছে ১৬৩টি এজেন্সি। এই তালিকার মধ্যে থেকে মালয়েশিয়া যাদের কাজের সুযোগ দেবে তারাই কর্মী পাঠাতে পারবে।
সাক্ষাৎকালে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রবাসে যাওয়ার ব্যয় কমানোর জন্য অ্যাপ করার প্রস্তাব দেন। যেখানে বিদেশ গমণে ইচ্ছুক সকল কর্মীদের এক ধরনের ডেটাবেজ থাকবে। সেখান থেকে কর্মীদের ইচ্ছে অনুসারে বিভিন্ন দেশের ভিসা থাকা সাপেক্ষে যোগাযোগ করবে এজেন্সিগুলো।
তিনি বলেন, এই অনলাইন মাধ্যমে কর্মীদের ডেটাবেজ তৈরি করা গেলে প্রবাসে কর্মী প্রেরণের ব্যয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা কমে যাবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় যাতে সিন্ডিকেশন না হয়।
এ ছাড়া, তিনি নতুন শ্রমবাজারে কর্মী নিয়োগ এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট হওয়ার প্রক্রিয়ার বন্ধের দাবি জানান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আকবর হোসেন মঞ্জু, সাবেক নির্বাহী সদস্য হক জহিরুল জুঁই, বায়রা সদস্য এ এফ মাসুক নাজিম ও আব্দুল্লাহ, জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেছেন, উন্মুক্ত শর্তের মাধ্যমে সব এজেন্সির কাজের ভিত্তিতে লাইসেন্সগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। দেশে যে পরিমাণ রিক্রুটিং লাইসেন্স রয়েছে এতগুলোর প্রয়োজন নেই এবং যাদের পারফরম্যান্স ভালো নয় তাদের লাইসেন্স বন্ধ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷
আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) একাংশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গেছে। তারা মালয়েশিয়ার দেওয়া শর্ত পূরণ করা এজেন্সিদের তালিকা দূতাবাসে পাঠিয়েছে।
এ ছাড়া, দেশের মানুষ যাতে কম খরচে বিদেশ যেতে পারে সে বিষয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০টি শর্তের মধ্যে ৭টা পূরণ করেছে ২৬০ টি এজেন্সি এবং ৬টি পূরণ করেছে ১৬৩টি এজেন্সি। এই তালিকার মধ্যে থেকে মালয়েশিয়া যাদের কাজের সুযোগ দেবে তারাই কর্মী পাঠাতে পারবে।
সাক্ষাৎকালে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রবাসে যাওয়ার ব্যয় কমানোর জন্য অ্যাপ করার প্রস্তাব দেন। যেখানে বিদেশ গমণে ইচ্ছুক সকল কর্মীদের এক ধরনের ডেটাবেজ থাকবে। সেখান থেকে কর্মীদের ইচ্ছে অনুসারে বিভিন্ন দেশের ভিসা থাকা সাপেক্ষে যোগাযোগ করবে এজেন্সিগুলো।
তিনি বলেন, এই অনলাইন মাধ্যমে কর্মীদের ডেটাবেজ তৈরি করা গেলে প্রবাসে কর্মী প্রেরণের ব্যয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা কমে যাবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় যাতে সিন্ডিকেশন না হয়।
এ ছাড়া, তিনি নতুন শ্রমবাজারে কর্মী নিয়োগ এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট হওয়ার প্রক্রিয়ার বন্ধের দাবি জানান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আকবর হোসেন মঞ্জু, সাবেক নির্বাহী সদস্য হক জহিরুল জুঁই, বায়রা সদস্য এ এফ মাসুক নাজিম ও আব্দুল্লাহ, জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।