
বিডিজেন ডেস্ক

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে ৩০ কাঠা প্লট গ্রহণের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকি। আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রোববার (১৩ এপ্রিল) ৩টি মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার একটি আদালত।
টিউলিপের আইনজীবী স্টিফেনসন হারউড এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তাঁর (টিউলিপ) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। দুদক টিউলিপের চিঠির কোনো জবাব দেয়নি অথবা সরাসরি তার কাছে বা আইনজীবীর মাধ্যমেও অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানায়নি। ঢাকার আদালতে হওয়া শুনানির বিষয়েও টিউলিপ কিছুই জানেন না। এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়েও তার কোনো ধারণা নেই।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘পরিষ্কার ভাষায় বললে, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার কোনো কারণই নেই। তিনি অবৈধপন্থায় ঢাকায় প্লটের মালিক হয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। বাংলাদেশে তাঁর মালিকানায় কোনো জমি বা প্লট নেই। এটি পেতে তিনি কখনই তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য বা অন্য কাউকে অনুরোধও করেননি। দুদক অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। এটা পরিষ্কার যে অভিযোগ পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’
টিউলিপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে টিউলিপের আইনজীবী অভিযোগ করেন, দুদকের কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে চিঠির কোনো জবাব দেয়নি সংস্থাটি। প্রতিক্রিয়ায় গত ৬ এপ্রিল দুদক চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল মোমেন জানান, দুর্নীতির অভিযোগের জবাব চিঠির মাধ্যমে হতে পারে না।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘আদালতে হাজির হয়ে তারা যেন অনুগ্রহ করে এই অভিযোগের মোকাবিলা করেন। এটি কম্পাউন্ডেবল কোনো মামলা নয় যে চিঠি লেখালিখি করে মামলার পরিণতি নির্ধারণ করা যাবে। আদালতেই তা নির্ধারিত হবে।’
বিবিসি বলছে, যুক্তরাজ্যের তালিকায় বাংলাদেশ টু্বি এক্সট্রাডিশন রাষ্ট্র হিসেবে নথিভুক্ত। এর অর্থ হলো আইনি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্পষ্ট তথ্য প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরতে হবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ববি হাজ্জাজের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই দুদক এই তদন্ত শুরু করে। আদালতে ববি হাজ্জাজের দেওয়া অভিযোগের নথি পর্যালোচনা করার কথাও বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
দুদক চেয়ারম্যান মো. আবদুল মোমেন বিবিসিকে দেওয়া আগের একটি সাক্ষাৎকারে জানান, টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক নয়। দুর্নীতির তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই তদন্ত করা হয়েছে।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘বিষয়টি টিউলিপের বাংলাদেশের আদালতে আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলা করা উচিত। আমি তাঁকে স্বাগত জানাব এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সর্বোচ্চ আইনি সহায়তাও তিনি পাবেন।’
কনজারভেটিভ পার্টির একজন মুখপাত্র বলেন, ‘কিয়ার স্টারমারের দুর্নীতি বিরোধী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির জন্য আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তার এমপি পদ থেকে তাৎক্ষণিক সরে যাওয়া উচিত। এটা খুবই অবাক করা বিষয় যে কিয়ার স্টারমার টিউলিপের জন্য তাঁর সরকারের দরজা খোলা রেখেছেন।’
আরও পড়ুন

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে ৩০ কাঠা প্লট গ্রহণের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকি। আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রোববার (১৩ এপ্রিল) ৩টি মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার একটি আদালত।
টিউলিপের আইনজীবী স্টিফেনসন হারউড এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তাঁর (টিউলিপ) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। দুদক টিউলিপের চিঠির কোনো জবাব দেয়নি অথবা সরাসরি তার কাছে বা আইনজীবীর মাধ্যমেও অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানায়নি। ঢাকার আদালতে হওয়া শুনানির বিষয়েও টিউলিপ কিছুই জানেন না। এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়েও তার কোনো ধারণা নেই।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘পরিষ্কার ভাষায় বললে, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার কোনো কারণই নেই। তিনি অবৈধপন্থায় ঢাকায় প্লটের মালিক হয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। বাংলাদেশে তাঁর মালিকানায় কোনো জমি বা প্লট নেই। এটি পেতে তিনি কখনই তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য বা অন্য কাউকে অনুরোধও করেননি। দুদক অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। এটা পরিষ্কার যে অভিযোগ পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’
টিউলিপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে টিউলিপের আইনজীবী অভিযোগ করেন, দুদকের কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে চিঠির কোনো জবাব দেয়নি সংস্থাটি। প্রতিক্রিয়ায় গত ৬ এপ্রিল দুদক চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল মোমেন জানান, দুর্নীতির অভিযোগের জবাব চিঠির মাধ্যমে হতে পারে না।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘আদালতে হাজির হয়ে তারা যেন অনুগ্রহ করে এই অভিযোগের মোকাবিলা করেন। এটি কম্পাউন্ডেবল কোনো মামলা নয় যে চিঠি লেখালিখি করে মামলার পরিণতি নির্ধারণ করা যাবে। আদালতেই তা নির্ধারিত হবে।’
বিবিসি বলছে, যুক্তরাজ্যের তালিকায় বাংলাদেশ টু্বি এক্সট্রাডিশন রাষ্ট্র হিসেবে নথিভুক্ত। এর অর্থ হলো আইনি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্পষ্ট তথ্য প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরতে হবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ববি হাজ্জাজের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই দুদক এই তদন্ত শুরু করে। আদালতে ববি হাজ্জাজের দেওয়া অভিযোগের নথি পর্যালোচনা করার কথাও বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
দুদক চেয়ারম্যান মো. আবদুল মোমেন বিবিসিকে দেওয়া আগের একটি সাক্ষাৎকারে জানান, টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক নয়। দুর্নীতির তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই তদন্ত করা হয়েছে।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘বিষয়টি টিউলিপের বাংলাদেশের আদালতে আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলা করা উচিত। আমি তাঁকে স্বাগত জানাব এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সর্বোচ্চ আইনি সহায়তাও তিনি পাবেন।’
কনজারভেটিভ পার্টির একজন মুখপাত্র বলেন, ‘কিয়ার স্টারমারের দুর্নীতি বিরোধী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির জন্য আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তার এমপি পদ থেকে তাৎক্ষণিক সরে যাওয়া উচিত। এটা খুবই অবাক করা বিষয় যে কিয়ার স্টারমার টিউলিপের জন্য তাঁর সরকারের দরজা খোলা রেখেছেন।’
আরও পড়ুন
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।