
বিডিজেন ডেস্ক

দ্বিতীয় টেস্টে তৃতীয় দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রান তোলাটা তুলনামূলক সহজ। সেখানেই এক দিনে দুইবার অল-আউট বাংলাদেশ। এই পরাজয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে দিনের শুরুতে ১০ রানেই বাংলাদেশ হারিয়ে বসে ৪ উইকেট! ৪৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের সর্বনিম্ন টেস্ট সংগ্রহ চোখ রাঙাচ্ছিল। সেখান থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন মুমিনুল-তাইজুল জুটি।
রাবাদা-প্যাটারসনদের সামলে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দুজনে মিলে লাঞ্চে গিয়ে পরে শতরানের জুটিও গড়েন। সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা মুমিনুলকে লাঞ্চের পরেই ফাঁদে ফেললেন মুথুসামি। তীক্ষ্ণ ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউ করে মুমিনুলকে ফেরান ১১২ বলে ৮২ রানের ইনিংসে। কিছুক্ষণ পরেই মহারাজকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৯৫ বলে তাইজুলের ৩০ রানের ইনিংস শেষ হলে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রথম ইনিংস লিড পেয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকানরা।
প্রথম ইনিংসে ৪১৬ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশকেই আরেকবার ব্যাটিংয়ে ডাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার আগের চেয়েও দ্রুত অল-আউট বাংলাদেশ। মাত্র ৪৩.৪ ওভারেই খেলা শেষ!
আলাদা করা বলার মতো কিছুই করে দেখাতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৩ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ অপরাজিত ৩৮ রান করেন ৯ নম্বরে নামা হাসান মাহমুদ। ৯৪ রানে ৮ উইকেট পড়ার পর নবম উইকেটে মাহিদুলের সঙ্গে ইনিংস–সর্বোচ্চ ৩৭ রানের জুটি গড়েন হাসান।
তার আগে ৪৭ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন (৩৬) ও অভিষিক্ত মাহিদুল ইসলামের (২৯) ২৩ রানের জুটি গড়েছিলেন।
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা ৫ উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ভুগেছে স্পিনে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজ (৫/৫৯) ও সেনুরান মুতুসামি (৪/৪৫) মিলে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
দ্বিতীয় টেস্ট, চট্টগ্রাম
দক্ষিণ আফ্রিকা-৫৭৫/৬ ডি. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মাল্ডার ১০৫*, তাইজুল ৫/১৯৮, রানা ১/৮৩)
বাংলাদেশ-১৫৯ (মুমিনুল ৮২, তাইজুল ৩০, রাবাদা ৫/৩৭, প্যাটারসন ২/৩১, মহারাজ ২/৫৭) ও ১৪৩ (হাসান ৩৮*, শান্ত ৩৬, মহারাজ ৫/৫৯, মুথুসামি ৪/৪৫)
ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ২৭৩ রানে জয়ী।

দ্বিতীয় টেস্টে তৃতীয় দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রান তোলাটা তুলনামূলক সহজ। সেখানেই এক দিনে দুইবার অল-আউট বাংলাদেশ। এই পরাজয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে দিনের শুরুতে ১০ রানেই বাংলাদেশ হারিয়ে বসে ৪ উইকেট! ৪৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের সর্বনিম্ন টেস্ট সংগ্রহ চোখ রাঙাচ্ছিল। সেখান থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন মুমিনুল-তাইজুল জুটি।
রাবাদা-প্যাটারসনদের সামলে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দুজনে মিলে লাঞ্চে গিয়ে পরে শতরানের জুটিও গড়েন। সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা মুমিনুলকে লাঞ্চের পরেই ফাঁদে ফেললেন মুথুসামি। তীক্ষ্ণ ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউ করে মুমিনুলকে ফেরান ১১২ বলে ৮২ রানের ইনিংসে। কিছুক্ষণ পরেই মহারাজকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৯৫ বলে তাইজুলের ৩০ রানের ইনিংস শেষ হলে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রথম ইনিংস লিড পেয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকানরা।
প্রথম ইনিংসে ৪১৬ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশকেই আরেকবার ব্যাটিংয়ে ডাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার আগের চেয়েও দ্রুত অল-আউট বাংলাদেশ। মাত্র ৪৩.৪ ওভারেই খেলা শেষ!
আলাদা করা বলার মতো কিছুই করে দেখাতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৩ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ অপরাজিত ৩৮ রান করেন ৯ নম্বরে নামা হাসান মাহমুদ। ৯৪ রানে ৮ উইকেট পড়ার পর নবম উইকেটে মাহিদুলের সঙ্গে ইনিংস–সর্বোচ্চ ৩৭ রানের জুটি গড়েন হাসান।
তার আগে ৪৭ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন (৩৬) ও অভিষিক্ত মাহিদুল ইসলামের (২৯) ২৩ রানের জুটি গড়েছিলেন।
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা ৫ উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ভুগেছে স্পিনে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজ (৫/৫৯) ও সেনুরান মুতুসামি (৪/৪৫) মিলে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
দ্বিতীয় টেস্ট, চট্টগ্রাম
দক্ষিণ আফ্রিকা-৫৭৫/৬ ডি. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মাল্ডার ১০৫*, তাইজুল ৫/১৯৮, রানা ১/৮৩)
বাংলাদেশ-১৫৯ (মুমিনুল ৮২, তাইজুল ৩০, রাবাদা ৫/৩৭, প্যাটারসন ২/৩১, মহারাজ ২/৫৭) ও ১৪৩ (হাসান ৩৮*, শান্ত ৩৬, মহারাজ ৫/৫৯, মুথুসামি ৪/৪৫)
ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ২৭৩ রানে জয়ী।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।