
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ অর্থায়ন পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিকোভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (আরএআইএসই) প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে
২০২২ সালে ২৫ কোটি আমেরিকান ডলারের তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু হয় আরএআইএসই প্রকল্পের এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের জুনে। তবে, নতুন এ অর্থায়নের ফলে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়কালের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলার। বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নের পর অবশিষ্ট অর্থ যোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহ। অর্থাৎ, ২০২২ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আরএআইএসই প্রকল্পের সর্বমোট বাজেটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
আরএআইএসই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও অনানুষ্ঠানিক খাতে সম্পৃক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে প্রকল্পের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। ডিসেম্বর ২০৩০ পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৪ লক্ষেরও অধিক মানুষ সরাসরি এবং আরো চার-পাঁচগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন।
প্রকল্পের বর্ধিত অংশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য এলাকাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে 'হোম-বেজড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার' গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় তরুণদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ‘ওস্তাদ-শাগরেদ’ মডেলে হাতে-কলমে কাজ শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের সুনির্দিষ্ট ট্রেডে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে তারা তাদের উদ্যোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি অন্যদের জন্য আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছেন।

বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ অর্থায়ন পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিকোভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (আরএআইএসই) প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে
২০২২ সালে ২৫ কোটি আমেরিকান ডলারের তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু হয় আরএআইএসই প্রকল্পের এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের জুনে। তবে, নতুন এ অর্থায়নের ফলে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়কালের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলার। বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নের পর অবশিষ্ট অর্থ যোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহ। অর্থাৎ, ২০২২ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আরএআইএসই প্রকল্পের সর্বমোট বাজেটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার আমেরিকান ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
আরএআইএসই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও অনানুষ্ঠানিক খাতে সম্পৃক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে প্রকল্পের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। ডিসেম্বর ২০৩০ পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৪ লক্ষেরও অধিক মানুষ সরাসরি এবং আরো চার-পাঁচগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন।
প্রকল্পের বর্ধিত অংশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য এলাকাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে 'হোম-বেজড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার' গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় তরুণদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ‘ওস্তাদ-শাগরেদ’ মডেলে হাতে-কলমে কাজ শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের সুনির্দিষ্ট ট্রেডে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে তারা তাদের উদ্যোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি অন্যদের জন্য আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছেন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।