
বিডিজেন ডেস্ক

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের এবং এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান সাংবাদিকদের জানান, নিহতের ভাই মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে সন্দেহজনক ৫ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আটককৃতদের নাম-ঠিকানা পরবর্তীতে জানানো হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার মসজিদ মার্কেটের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আসাদুজ্জামান তুহিন (৪০) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি চায়ের দোকানে সাংবাদিক তুহিনের সঙ্গে ৪-৫ জন যুবকের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তুহিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
ঘটনাস্থলে যাওয়া বাসন থানার এসআই জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, 'নিহত তুহিন একজন গণমাধ্যমকর্মী। তার মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
এ বিষয়ে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক গণমাধ্যমকে বলেন, 'আমাদের পত্রিকাটি ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত হয়। আসাদুজ্জামান তুহিন গত ৫ বছর ধরে গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছিলেন।'
আরও পড়ুন

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের এবং এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান সাংবাদিকদের জানান, নিহতের ভাই মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে সন্দেহজনক ৫ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আটককৃতদের নাম-ঠিকানা পরবর্তীতে জানানো হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার মসজিদ মার্কেটের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আসাদুজ্জামান তুহিন (৪০) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি চায়ের দোকানে সাংবাদিক তুহিনের সঙ্গে ৪-৫ জন যুবকের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তুহিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
ঘটনাস্থলে যাওয়া বাসন থানার এসআই জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, 'নিহত তুহিন একজন গণমাধ্যমকর্মী। তার মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
এ বিষয়ে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক গণমাধ্যমকে বলেন, 'আমাদের পত্রিকাটি ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত হয়। আসাদুজ্জামান তুহিন গত ৫ বছর ধরে গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছিলেন।'
আরও পড়ুন
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।