
বিডিজেন ডেস্ক

দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ও ঝমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের ১০৩ জন প্রবাসীকে ৬ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারের কবি নজরুল অডিটরিয়ামে তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর আগে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সকাল ১০টায় নগরীর ক্বিন ব্রিজ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রিকাবীবাজার পয়েন্টে এসে শেষ হয়। র্যালিতে প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতারুল আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
র্যালি শেষে বেলা ১১টার দিকে নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কাজী নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে সফল প্রবাসীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিশ্বের ১১টি দেশ থেকে আগত প্রবাসীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
জানা যায়, গত ১৭ নভেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসন সিলেটের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ৬ ক্যাটাগরিতে আবেদন আহ্বান করে। ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হয়। এ সময় পর্যন্ত ৫৮২টি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে ১০৩ জনকে সম্মাননা প্রদান করে।
যেসব বিভাগে সম্মাননা দেওয়া হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সফল পেশাজীবী, সফল ব্যবসায়ী, সফল কমিউনিটি নেতা, সফল নারী উদ্যোক্তা, খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনকারী এবং বাংলাদেশি পণ্য সংশ্লিষ্ট দেশে আমদানিকারক। এসব বিভাগে আবেদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত গুগল ফর্ম, ইমেইল ঠিকানা দেওয়ায় জমা দেওয়া হয়।
সিলেট জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা জানান,, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মাননার জন্য বিশ্বের ১১টি দেশে অবস্থানরত সিলেটের প্রায় ৬০০ প্রবাসী আবেদন করেছিলেন। সফল পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কমিউনিটি নেতা, নারী উদ্যোক্তা, খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনকারী এবং বাংলাদেশি পণ্য সংশ্লিষ্ট দেশে আমদানিকারক এসব আবেদন করেছিলেন। প্রত্যেক বিভাগে আবেদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে গুগল ফর্ম, ইমেইল ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল নাসের খান বলেন, প্রবাসীদের কারণেই অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী বাংলাদেশ। এ দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদান রয়েছে। তাই সরকার প্রবাসীদের করমুক্ত বিনিয়োগসহ নানা সুবিধা প্রদান করবে।
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে। পাশাপাশি সিলেটে একটি এনআরবি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার আহ্ববান জানান তিনি। সেজন্য জমি, কাগজপত্র, নিরাপত্তাসহ সকল ভোগান্তি দূর করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতারুল আলম।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ প্রবাসী সম্মাননা অনুষ্ঠান প্রবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার করবে।

দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ও ঝমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের ১০৩ জন প্রবাসীকে ৬ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারের কবি নজরুল অডিটরিয়ামে তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর আগে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সকাল ১০টায় নগরীর ক্বিন ব্রিজ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রিকাবীবাজার পয়েন্টে এসে শেষ হয়। র্যালিতে প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতারুল আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
র্যালি শেষে বেলা ১১টার দিকে নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কাজী নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে সফল প্রবাসীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিশ্বের ১১টি দেশ থেকে আগত প্রবাসীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
জানা যায়, গত ১৭ নভেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসন সিলেটের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ৬ ক্যাটাগরিতে আবেদন আহ্বান করে। ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হয়। এ সময় পর্যন্ত ৫৮২টি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে ১০৩ জনকে সম্মাননা প্রদান করে।
যেসব বিভাগে সম্মাননা দেওয়া হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সফল পেশাজীবী, সফল ব্যবসায়ী, সফল কমিউনিটি নেতা, সফল নারী উদ্যোক্তা, খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনকারী এবং বাংলাদেশি পণ্য সংশ্লিষ্ট দেশে আমদানিকারক। এসব বিভাগে আবেদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত গুগল ফর্ম, ইমেইল ঠিকানা দেওয়ায় জমা দেওয়া হয়।
সিলেট জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা জানান,, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মাননার জন্য বিশ্বের ১১টি দেশে অবস্থানরত সিলেটের প্রায় ৬০০ প্রবাসী আবেদন করেছিলেন। সফল পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কমিউনিটি নেতা, নারী উদ্যোক্তা, খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনকারী এবং বাংলাদেশি পণ্য সংশ্লিষ্ট দেশে আমদানিকারক এসব আবেদন করেছিলেন। প্রত্যেক বিভাগে আবেদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে গুগল ফর্ম, ইমেইল ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল নাসের খান বলেন, প্রবাসীদের কারণেই অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী বাংলাদেশ। এ দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদান রয়েছে। তাই সরকার প্রবাসীদের করমুক্ত বিনিয়োগসহ নানা সুবিধা প্রদান করবে।
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে। পাশাপাশি সিলেটে একটি এনআরবি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার আহ্ববান জানান তিনি। সেজন্য জমি, কাগজপত্র, নিরাপত্তাসহ সকল ভোগান্তি দূর করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতারুল আলম।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ প্রবাসী সম্মাননা অনুষ্ঠান প্রবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার করবে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।