
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর কাজে ব্যত্যয় হয়নি জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার (চৌধুরী রফিকুল আবরার) বলেছেন, 'আমার নিয়োগকর্তা আছেন, তারাও যদি মনে করেন এখানে ব্যত্যয় ঘটেছিল, তাহলে আমাকে যেতে বললে আমি অবশ্যই চলে যাব।'
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'কোনো রকমের অব্যবস্থাপনা এখানে হয়নি।'
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'শিক্ষাসচিবকে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সিদ্ধান্তে অপসারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। কেন তাকে অপসারণ করা হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারব না।'
'আমার পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে। তবে আমার নিজ থেকে পদত্যাগের কোনো অভিপ্রায় নেই। কারণ আমার কাজে কোনো ব্যত্যয় হয়েছে বলে আমি মনে করি না। তবে আমার নিয়োগকর্তা আছেন, তারাও যদি মনে করেন এখানে ব্যত্যয় ঘটেছিল, তাহলে আমাকে যেতে বললে আমি অবশ্যই চলে যাব। আমার এখানে আঁকড়ে ধরার কিছু নেই। আমার নিজেকে জাস্টিফাই করার কোনো কিছু নেই,' বলেন শিক্ষা উপদেষ্টা।
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া মোটেও সঠিক না। যে ধরনের প্ল্যান করতে হয়, রোলব্যাক করতে হলেও সময় লাগে এবং যথাযথভাবে হয়েছে। এটা যদি আগে নেওয়া যেত ভালো হতো। কিন্তু সঙ্গত কারণে আগে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ওই দিন বিকেলেই মঙ্গলবারের জন্য এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেয় সরকার। শোকাবহ পরিস্থিতিতে কোনো কোনো কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবারের এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানানো হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় এই পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়। এ নিয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিক্ষা উপদেষ্টা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবিতে গতকাল সচিবালয়ের ভেতরে-বাইরে বিক্ষোভ করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। বিক্ষোভ চলাকালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে অব্যাহতির ঘোষণা দেয় সরকার।

রাজধানী ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর কাজে ব্যত্যয় হয়নি জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার (চৌধুরী রফিকুল আবরার) বলেছেন, 'আমার নিয়োগকর্তা আছেন, তারাও যদি মনে করেন এখানে ব্যত্যয় ঘটেছিল, তাহলে আমাকে যেতে বললে আমি অবশ্যই চলে যাব।'
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'কোনো রকমের অব্যবস্থাপনা এখানে হয়নি।'
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'শিক্ষাসচিবকে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সিদ্ধান্তে অপসারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। কেন তাকে অপসারণ করা হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারব না।'
'আমার পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে। তবে আমার নিজ থেকে পদত্যাগের কোনো অভিপ্রায় নেই। কারণ আমার কাজে কোনো ব্যত্যয় হয়েছে বলে আমি মনে করি না। তবে আমার নিয়োগকর্তা আছেন, তারাও যদি মনে করেন এখানে ব্যত্যয় ঘটেছিল, তাহলে আমাকে যেতে বললে আমি অবশ্যই চলে যাব। আমার এখানে আঁকড়ে ধরার কিছু নেই। আমার নিজেকে জাস্টিফাই করার কোনো কিছু নেই,' বলেন শিক্ষা উপদেষ্টা।
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া মোটেও সঠিক না। যে ধরনের প্ল্যান করতে হয়, রোলব্যাক করতে হলেও সময় লাগে এবং যথাযথভাবে হয়েছে। এটা যদি আগে নেওয়া যেত ভালো হতো। কিন্তু সঙ্গত কারণে আগে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ওই দিন বিকেলেই মঙ্গলবারের জন্য এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেয় সরকার। শোকাবহ পরিস্থিতিতে কোনো কোনো কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবারের এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানানো হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় এই পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়। এ নিয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিক্ষা উপদেষ্টা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবিতে গতকাল সচিবালয়ের ভেতরে-বাইরে বিক্ষোভ করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। বিক্ষোভ চলাকালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে অব্যাহতির ঘোষণা দেয় সরকার।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।