
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের দায়িত্ব নিয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ।
আলোচনা সভায় ৫ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
ঘোষণা দিয়ে এটি ঘটানো হলেও সরকার কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেনি তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা, জবাবদিহিতার আওতায় আনা।’
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আইন সাধারণ মানুষ হাতে তুলে নিলে প্রশাসন অকার্যকর হয়ে পড়বে। এর ফলে সরকার অকার্যকর হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের দায়িত্ব নিয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ।
আলোচনা সভায় ৫ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
ঘোষণা দিয়ে এটি ঘটানো হলেও সরকার কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেনি তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা, জবাবদিহিতার আওতায় আনা।’
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আইন সাধারণ মানুষ হাতে তুলে নিলে প্রশাসন অকার্যকর হয়ে পড়বে। এর ফলে সরকার অকার্যকর হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।