
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতায় সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) জ্বালানি ব্যবহার ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সকল প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তার জন্য এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এসবের অংশ হিসেবে পিকেএসএফের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে দাপ্তরিক কাজে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া, অফিস ভবনে সীমিত মাত্রায় এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতায় সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) জ্বালানি ব্যবহার ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সকল প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তার জন্য এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এসবের অংশ হিসেবে পিকেএসএফের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে দাপ্তরিক কাজে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া, অফিস ভবনে সীমিত মাত্রায় এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।