
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিদেশ যেতে ইচ্ছুক এক কর্মীর টাকা ও পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে অপরাজিতা ওভারসিজ নামে একটি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ওই এজেন্সির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন হিফজুর রহমান নামে এক ভুক্তভোগী।
মন্ত্রণালয়ে দেওয়া অভিযোগপত্রে তিনি বলেছেন, ‘আমি হিফজুর রহমান, পাসপোর্ট নম্বর–ইএইচ ০৬৪২৭৬০। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জীবনের তাগিদে রাশিয়া যাওয়ার জন্য অপরাজিতা ওভারসিজের (আরএল–১৩১৮) সঙ্গে চুক্তি করি। আমি রাশিয়া যাওয়ার জন্য এজেন্সির অ্যাকাউন্ট নম্বরে ব্যাংকের মাধ্যেমে ৫০ হাজার টাকা ও পাসপোর্ট বই জমা দিয়েছিলাম। চুক্তি অনুসারে তিন মাসের মধ্যে রাশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু টাকা ও পাসপোর্ট নেওয়ার পরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে এজেন্সি। তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের অফিসে যাই। তারা আরও এক সপ্তাহ সময় নেয়। এক সপ্তাহ পরে আমাকে রাশিয়ার একটি ওয়ার্ক পারমিট কাজ দেয়। তবে ওয়ার্ক পারমিটে কাজ দেখার পর আমার সন্দেহ হয়।
আমি ওয়ার্ক পারমিটের অফিস ‘কমচ গ্রুপে’ যোগাযোগ করি, তারা বলে এ ধরনের কোনো ওয়ার্ক পারমিট তাদের কোম্পানি থেকে ইস্যু করে নাই অর্থাৎ এটা ভূয়া। পরে এ বিষয়ে এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো গুরুত্ব দেয় না। আমি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আমি কোনো সমাধান পাই নাই। এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে বিএমইটি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বিএমইটিতে আমি প্রায় এক বছর যাবত ঘুরতেছি, কোনো বিচার ও আমার টাকা, পাসপোর্ট ফেরত পাই নাই।’
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
তিনি আরও বলেন, মিডিয়াকে জানানোর পর এজেন্সি থেকে আমাকে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর আগে আমি বিএমইটিতে (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। বাধ্য হয়ে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে জানার জন্য অপরাজিত ওভারসিজের প্রধান আরিফুর রহমান এবং হিসাবরক্ষককে একাধিকবার ফোন করার পরও তারা কল রিসিভ করেননি।

বিদেশ যেতে ইচ্ছুক এক কর্মীর টাকা ও পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে অপরাজিতা ওভারসিজ নামে একটি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ওই এজেন্সির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন হিফজুর রহমান নামে এক ভুক্তভোগী।
মন্ত্রণালয়ে দেওয়া অভিযোগপত্রে তিনি বলেছেন, ‘আমি হিফজুর রহমান, পাসপোর্ট নম্বর–ইএইচ ০৬৪২৭৬০। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জীবনের তাগিদে রাশিয়া যাওয়ার জন্য অপরাজিতা ওভারসিজের (আরএল–১৩১৮) সঙ্গে চুক্তি করি। আমি রাশিয়া যাওয়ার জন্য এজেন্সির অ্যাকাউন্ট নম্বরে ব্যাংকের মাধ্যেমে ৫০ হাজার টাকা ও পাসপোর্ট বই জমা দিয়েছিলাম। চুক্তি অনুসারে তিন মাসের মধ্যে রাশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু টাকা ও পাসপোর্ট নেওয়ার পরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে এজেন্সি। তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের অফিসে যাই। তারা আরও এক সপ্তাহ সময় নেয়। এক সপ্তাহ পরে আমাকে রাশিয়ার একটি ওয়ার্ক পারমিট কাজ দেয়। তবে ওয়ার্ক পারমিটে কাজ দেখার পর আমার সন্দেহ হয়।
আমি ওয়ার্ক পারমিটের অফিস ‘কমচ গ্রুপে’ যোগাযোগ করি, তারা বলে এ ধরনের কোনো ওয়ার্ক পারমিট তাদের কোম্পানি থেকে ইস্যু করে নাই অর্থাৎ এটা ভূয়া। পরে এ বিষয়ে এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো গুরুত্ব দেয় না। আমি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আমি কোনো সমাধান পাই নাই। এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে বিএমইটি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বিএমইটিতে আমি প্রায় এক বছর যাবত ঘুরতেছি, কোনো বিচার ও আমার টাকা, পাসপোর্ট ফেরত পাই নাই।’
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
তিনি আরও বলেন, মিডিয়াকে জানানোর পর এজেন্সি থেকে আমাকে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর আগে আমি বিএমইটিতে (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। বাধ্য হয়ে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে জানার জন্য অপরাজিত ওভারসিজের প্রধান আরিফুর রহমান এবং হিসাবরক্ষককে একাধিকবার ফোন করার পরও তারা কল রিসিভ করেননি।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি