
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প খাতকে একটি সুসংগঠিত, রপ্তানিমুখী ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করতে হলে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবল সংকট, কাঁচামালের খরচ বৃদ্ধি, উৎপাদন অবকাঠামোর ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ডিং দুর্বলতার মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলোকে কাটিয়ে উঠতে হবে। হস্তশিল্প শিল্পের উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ এবং বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) উদ্যোগে 'বাংলাদেশের হস্তশিল্পের বিকাশে করণীয়' শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, শত শত কোটি টাকার দেশীয় বাজার ও বিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাজার থাকা সত্ত্বেও সরকারি-বেসরকারি পরিকল্পনা, গবেষণা, ডিজাইন উন্নয়ন এবং নীতিগত সহায়তা ছাড়া এ খাতের সম্ভাবনাকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এর জন্য তারা সহজ শর্তে অর্থায়ন, বাজার সম্প্রসারণ, ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস, নকশা কেন্দ্র স্থাপন, প্রশিক্ষণ ও রপ্তানি প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করেন।
অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। হস্তশিল্প শিল্পের বর্তমান অবস্থা, বাজার সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমান।
উপস্থাপনায় বলা হয়, হস্তশিল্প বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও দ্রুত সম্ভাবনাময় খাত। দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কারিগর রয়েছে, তাদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ নারী, যারা প্রত্যক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। উৎপাদনের ৯৫ দশমিক ৮ শতাংশই সম্পূর্ণ গৃহভিত্তিক, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
মো. ফজলুল কাদের বলেন, সহজ শর্তে অর্থায়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং রপ্তানি সহজীকরণসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে এ খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ জন্য তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বে এ খাতকে আরও সংগঠিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিল্পে রূপান্তর করার জন্য আহ্বান জানান।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশে হস্তশিল্পের স্থানীয় বাজারের বার্ষিক আকার প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২৪ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্পের যে বিশাল বাজার ছিল সেখানে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব এক শতাংশেরও কম। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে। বক্তারা জানান, বৈশ্বিক বাজার প্রতিবছর প্রায় ২০ শতাংশ হারে সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং ২০৩২ সালের মধ্যে বাজারের আকার ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, নকশিকাঁথা, মাটির তৈরি পণ্য, বাঁশ-বেত, জামদানি, পাটজাত পণ্য, টেরাকোটাসহ দেশীয় হস্তশিল্প পণ্যের প্রধান ক্রেতা আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে উৎপাদিত এসব পণ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ মূল্য সংযোজন সম্ভব হয় বলেও কর্মশালায় জানানো হয় । বক্তারা এ খাতের উন্নয়নের জন্য সাপ্লাই চেইন শক্তিশালীকরণ, কারুশিল্প গ্রাম উন্নয়ন, অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, হস্তশিল্প-সম্পর্কিত কারিগর ও কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, হস্তশিল্প ম্যাপিং, ভর্তুকি/প্রণোদনা, হস্তশিল্পের রপ্তানি উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মান ও সার্টিফিকেশন জোরদার, ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ও ই-কমার্স উন্নয়নের পরামর্শ প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প খাতকে একটি সুসংগঠিত, রপ্তানিমুখী ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করতে হলে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবল সংকট, কাঁচামালের খরচ বৃদ্ধি, উৎপাদন অবকাঠামোর ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ডিং দুর্বলতার মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলোকে কাটিয়ে উঠতে হবে। হস্তশিল্প শিল্পের উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ এবং বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) উদ্যোগে 'বাংলাদেশের হস্তশিল্পের বিকাশে করণীয়' শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, শত শত কোটি টাকার দেশীয় বাজার ও বিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাজার থাকা সত্ত্বেও সরকারি-বেসরকারি পরিকল্পনা, গবেষণা, ডিজাইন উন্নয়ন এবং নীতিগত সহায়তা ছাড়া এ খাতের সম্ভাবনাকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এর জন্য তারা সহজ শর্তে অর্থায়ন, বাজার সম্প্রসারণ, ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস, নকশা কেন্দ্র স্থাপন, প্রশিক্ষণ ও রপ্তানি প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করেন।
অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। হস্তশিল্প শিল্পের বর্তমান অবস্থা, বাজার সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমান।
উপস্থাপনায় বলা হয়, হস্তশিল্প বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও দ্রুত সম্ভাবনাময় খাত। দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কারিগর রয়েছে, তাদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ নারী, যারা প্রত্যক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। উৎপাদনের ৯৫ দশমিক ৮ শতাংশই সম্পূর্ণ গৃহভিত্তিক, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
মো. ফজলুল কাদের বলেন, সহজ শর্তে অর্থায়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং রপ্তানি সহজীকরণসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে এ খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ জন্য তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বে এ খাতকে আরও সংগঠিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিল্পে রূপান্তর করার জন্য আহ্বান জানান।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশে হস্তশিল্পের স্থানীয় বাজারের বার্ষিক আকার প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২৪ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্পের যে বিশাল বাজার ছিল সেখানে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব এক শতাংশেরও কম। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে। বক্তারা জানান, বৈশ্বিক বাজার প্রতিবছর প্রায় ২০ শতাংশ হারে সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং ২০৩২ সালের মধ্যে বাজারের আকার ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, নকশিকাঁথা, মাটির তৈরি পণ্য, বাঁশ-বেত, জামদানি, পাটজাত পণ্য, টেরাকোটাসহ দেশীয় হস্তশিল্প পণ্যের প্রধান ক্রেতা আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে উৎপাদিত এসব পণ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ মূল্য সংযোজন সম্ভব হয় বলেও কর্মশালায় জানানো হয় । বক্তারা এ খাতের উন্নয়নের জন্য সাপ্লাই চেইন শক্তিশালীকরণ, কারুশিল্প গ্রাম উন্নয়ন, অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, হস্তশিল্প-সম্পর্কিত কারিগর ও কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, হস্তশিল্প ম্যাপিং, ভর্তুকি/প্রণোদনা, হস্তশিল্পের রপ্তানি উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মান ও সার্টিফিকেশন জোরদার, ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ও ই-কমার্স উন্নয়নের পরামর্শ প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।