
বিডিজেন ডেস্ক

গানচিল মিউজিকের নতুন প্রজেক্ট ‘বাংলা অরিজিনালস’ শুরু হলো ‘ময়না’ দিয়ে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ইউটিউবে প্রকাশিত গানটি দিয়ে প্রথমবার একক কোনো মিউজিক ভিডিওতে পারফর্ম করলেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী শবনম বুবলী।
গানটি প্রকাশের পরপরই দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। বুবলীর সঙ্গে পারফর্ম করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কোনাল ও নিলয় ডি রকস্টার। গানটির কথা লিখেছেন আসিফ ইকবাল, সুর-সংগীত করেছেন আকাশ সেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
বুবলীর চমক, সঙ্গে জীবন
সিনেমার গানে নাচা বুবলীর জন্য নতুন কিছু নয়। তবে এই প্রথম এককভাবে একটি অডিওভিত্তিক গানের ভিডিওতে পারফর্ম করলেন তিনি। তাও আবার সিনেমার মতো সেট, আলো, পোশাক আর নাচের সঙ্গে পুরোদস্তুর বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
বুবলীর ভাষ্যে, ‘এই গানটা শুনেই আমার ভেতরে নাচার তাগিদটা চলে আসে। মনে হয়েছে, এমন একটি গানে স্টেজ পারফর্ম টাইপের ভিডিও আমারও থাকা উচিত ছিল। গানটি মুক্তির পর দর্শকদের ভালোবাসা আর উচ্ছ্বাস দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ।’
শরাফ আহমেদ জীবন মূলত নির্মাতা হলেও এ গানে পারফর্ম করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। একেবারে নতুন এক রূপে হাজির হয়েছেন তিনি। জীবন বললেন, ‘বুবলীর সঙ্গে এমন একটি পারফরম্যান্সে যুক্ত হয়ে আমি ভীষণ আনন্দিত। গানটির সঙ্গে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখন দর্শকদের রেসপন্স দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের পরিশ্রম সফল হচ্ছে।’

গানটির মূল শিল্পী চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠের বিজয়ী গায়িকা কোনাল। আসিফ ইকবালের লেখা যেসব সিনেমার গানগুলোতে এর আগে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি ‘প্রিয়তমা’, ‘রাজকুমার’, ‘মেঘের নৌকা’—সবই ছিল রোমান্টিক ধাঁচের। আর ‘ময়না?’ পার্টি বিট, নাচের তালে তালে গাওয়া এক অন্য রকম সংযোজন। কোনাল বললেন, ‘আসিফ ভাই সাধারণত রোমান্টিক গান লেখেন, কিন্তু “ময়না”একেবারে ভিন্ন। গাওয়ার সময়ই টের পেয়েছিলাম, এই গানটা শ্রোতাদের নাড়া দেবে। মুক্তির পর প্রথম দিনেই যে রেসপন্স এসেছে, তাতে মনে হচ্ছে, গানটি অনেক দূর যাবে।’
আড়ম্বর আয়োজন
গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন খালেদ মাহমুদ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন তানিম রহমান অংশু। তিনি বললেন, ‘আমরা এই গানে কোনো কিছুতেই কমতি রাখিনি। সিনেমার গানের মতো বাজেট ও প্রস্তুতিতে এটা বানিয়েছি। পুরো দল খুব পরিশ্রম করেছে। সবার চেষ্টা একসঙ্গে কাজ করেছে বলেই এমন রেসপন্স পাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘“লোকাল বাস”, “বিয়াইনসাব”, “গার্লফ্রেন্ডের বিয়া”—গানচিলের যেসব গান দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে, “ময়না” সেই ধারারই নতুন সংযোজন।’
গীতিকার ও গানচিল মিউজিকের কর্ণধার আসিফ ইকবাল জানালেন, ‘আমরা মূলত বাংলা গানকে নতুন করে গড়তে চাই। “বাংলা অরিজিনালস” প্রজেক্ট সেই উদ্যোগেরই অংশ। “ময়না” দিয়ে সেই যাত্রা শুরু হলো। আমি বিশ্বাস করি, নতুন ঘরানার গান হিসেবে এটা দর্শকশ্রোতার হৃদয় জয় করতে পারবে।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে ইউটিউব, ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে গানটি ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়। অনেকে কমেন্ট করেছেন, ‘এটাই বুবলীর বেস্ট পারফরম্যান্স’, ‘জীবনকে চিনতেই পারিনি’, ‘গানটায় আলাদা একটা ভাইব আছে’, ‘বাংলা গানের নতুন ধারা’। সব মিলিয়ে বলা যায়, ‘ময়না’ দিয়ে গানচিল শুধু একটি গান নয়, শুরু করল এক নতুন জার্নি, যেখানে বাংলা মৌলিক গান পাবে নতুন রূপ, নতুন ছন্দ আর নতুন দর্শকপ্রিয়তা। আর এ যাত্রার প্রথম তারকা শবনম বুবলী।
সূত্র: প্রথম আলো

গানচিল মিউজিকের নতুন প্রজেক্ট ‘বাংলা অরিজিনালস’ শুরু হলো ‘ময়না’ দিয়ে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ইউটিউবে প্রকাশিত গানটি দিয়ে প্রথমবার একক কোনো মিউজিক ভিডিওতে পারফর্ম করলেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী শবনম বুবলী।
গানটি প্রকাশের পরপরই দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। বুবলীর সঙ্গে পারফর্ম করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কোনাল ও নিলয় ডি রকস্টার। গানটির কথা লিখেছেন আসিফ ইকবাল, সুর-সংগীত করেছেন আকাশ সেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
বুবলীর চমক, সঙ্গে জীবন
সিনেমার গানে নাচা বুবলীর জন্য নতুন কিছু নয়। তবে এই প্রথম এককভাবে একটি অডিওভিত্তিক গানের ভিডিওতে পারফর্ম করলেন তিনি। তাও আবার সিনেমার মতো সেট, আলো, পোশাক আর নাচের সঙ্গে পুরোদস্তুর বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
বুবলীর ভাষ্যে, ‘এই গানটা শুনেই আমার ভেতরে নাচার তাগিদটা চলে আসে। মনে হয়েছে, এমন একটি গানে স্টেজ পারফর্ম টাইপের ভিডিও আমারও থাকা উচিত ছিল। গানটি মুক্তির পর দর্শকদের ভালোবাসা আর উচ্ছ্বাস দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ।’
শরাফ আহমেদ জীবন মূলত নির্মাতা হলেও এ গানে পারফর্ম করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। একেবারে নতুন এক রূপে হাজির হয়েছেন তিনি। জীবন বললেন, ‘বুবলীর সঙ্গে এমন একটি পারফরম্যান্সে যুক্ত হয়ে আমি ভীষণ আনন্দিত। গানটির সঙ্গে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখন দর্শকদের রেসপন্স দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের পরিশ্রম সফল হচ্ছে।’

গানটির মূল শিল্পী চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠের বিজয়ী গায়িকা কোনাল। আসিফ ইকবালের লেখা যেসব সিনেমার গানগুলোতে এর আগে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি ‘প্রিয়তমা’, ‘রাজকুমার’, ‘মেঘের নৌকা’—সবই ছিল রোমান্টিক ধাঁচের। আর ‘ময়না?’ পার্টি বিট, নাচের তালে তালে গাওয়া এক অন্য রকম সংযোজন। কোনাল বললেন, ‘আসিফ ভাই সাধারণত রোমান্টিক গান লেখেন, কিন্তু “ময়না”একেবারে ভিন্ন। গাওয়ার সময়ই টের পেয়েছিলাম, এই গানটা শ্রোতাদের নাড়া দেবে। মুক্তির পর প্রথম দিনেই যে রেসপন্স এসেছে, তাতে মনে হচ্ছে, গানটি অনেক দূর যাবে।’
আড়ম্বর আয়োজন
গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন খালেদ মাহমুদ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন তানিম রহমান অংশু। তিনি বললেন, ‘আমরা এই গানে কোনো কিছুতেই কমতি রাখিনি। সিনেমার গানের মতো বাজেট ও প্রস্তুতিতে এটা বানিয়েছি। পুরো দল খুব পরিশ্রম করেছে। সবার চেষ্টা একসঙ্গে কাজ করেছে বলেই এমন রেসপন্স পাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘“লোকাল বাস”, “বিয়াইনসাব”, “গার্লফ্রেন্ডের বিয়া”—গানচিলের যেসব গান দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে, “ময়না” সেই ধারারই নতুন সংযোজন।’
গীতিকার ও গানচিল মিউজিকের কর্ণধার আসিফ ইকবাল জানালেন, ‘আমরা মূলত বাংলা গানকে নতুন করে গড়তে চাই। “বাংলা অরিজিনালস” প্রজেক্ট সেই উদ্যোগেরই অংশ। “ময়না” দিয়ে সেই যাত্রা শুরু হলো। আমি বিশ্বাস করি, নতুন ঘরানার গান হিসেবে এটা দর্শকশ্রোতার হৃদয় জয় করতে পারবে।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে ইউটিউব, ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে গানটি ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়। অনেকে কমেন্ট করেছেন, ‘এটাই বুবলীর বেস্ট পারফরম্যান্স’, ‘জীবনকে চিনতেই পারিনি’, ‘গানটায় আলাদা একটা ভাইব আছে’, ‘বাংলা গানের নতুন ধারা’। সব মিলিয়ে বলা যায়, ‘ময়না’ দিয়ে গানচিল শুধু একটি গান নয়, শুরু করল এক নতুন জার্নি, যেখানে বাংলা মৌলিক গান পাবে নতুন রূপ, নতুন ছন্দ আর নতুন দর্শকপ্রিয়তা। আর এ যাত্রার প্রথম তারকা শবনম বুবলী।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।