
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান যদি নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করে, তাহলে ফের সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, হামাস যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তবে তাদের ’ভয়াবহ পরিণতি’ হবে।
ফ্লোরিডার মার-অ্যা-লাগোতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য ও সংবাদে দেখা গেছে, ইরান ধ্বংস হওয়া স্থাপনাগুলোর বাইরে নতুন জায়গায় আবার ক্ষেপণাস্ত্র ও সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে । তিনি জানান, যদি তেহরান সত্যিই অস্ত্র কর্মসূচি পুনরায় জোরদার করে, তবে আমেরিকা ফের হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না। তিনি আরও বলেন, “আমরা জানি তারা কোথায় কী করছে।”
বৈঠকে গাজা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়। ট্রাম্প জানান, অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর গাজা চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যেতে চান তিনি, যেখানে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি রয়েছে। তবে তার দাবি, হামাস অস্ত্র জমা না দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়ন দেরি করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হামাস যদি অস্ত্র না ফেলে, তাহলে তাদের জন্য কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করছে।”
অন্যদিকে নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত চায় না, তবে দেশটির সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে ইরান সম্প্রতি আবার ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পুরোপুরি শান্তি আসেনি। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেখানে শতাধিক বেসামরিক হতাহত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য একদিকে ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান ও হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল। তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

ইরান যদি নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করে, তাহলে ফের সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, হামাস যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তবে তাদের ’ভয়াবহ পরিণতি’ হবে।
ফ্লোরিডার মার-অ্যা-লাগোতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য ও সংবাদে দেখা গেছে, ইরান ধ্বংস হওয়া স্থাপনাগুলোর বাইরে নতুন জায়গায় আবার ক্ষেপণাস্ত্র ও সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে । তিনি জানান, যদি তেহরান সত্যিই অস্ত্র কর্মসূচি পুনরায় জোরদার করে, তবে আমেরিকা ফের হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না। তিনি আরও বলেন, “আমরা জানি তারা কোথায় কী করছে।”
বৈঠকে গাজা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়। ট্রাম্প জানান, অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর গাজা চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যেতে চান তিনি, যেখানে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি রয়েছে। তবে তার দাবি, হামাস অস্ত্র জমা না দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়ন দেরি করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হামাস যদি অস্ত্র না ফেলে, তাহলে তাদের জন্য কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করছে।”
অন্যদিকে নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত চায় না, তবে দেশটির সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে ইরান সম্প্রতি আবার ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পুরোপুরি শান্তি আসেনি। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেখানে শতাধিক বেসামরিক হতাহত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য একদিকে ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান ও হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল। তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।