
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, “শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা জোরদারে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিক ও কর্মজীবীদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে নিরাপদ আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ উৎসাহিত করতে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, “নারীদের অংশগ্রহণ ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিততে সম্পূর্ণভাবে নারীদের পরিচালনা ও তাদের ব্যবস্থাপনায় ‘পিঙ্ক বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরের মাসে অর্থাৎ গত মার্চে প্রবাসীদের পাঠানো মাসিক রেমিট্যান্স ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন আমেরিকান ডলারে পৌঁছায়, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ উৎসাহিত করতে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।”

প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, “শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা জোরদারে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিক ও কর্মজীবীদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে নিরাপদ আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ উৎসাহিত করতে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, “নারীদের অংশগ্রহণ ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিততে সম্পূর্ণভাবে নারীদের পরিচালনা ও তাদের ব্যবস্থাপনায় ‘পিঙ্ক বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরের মাসে অর্থাৎ গত মার্চে প্রবাসীদের পাঠানো মাসিক রেমিট্যান্স ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন আমেরিকান ডলারে পৌঁছায়, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ উৎসাহিত করতে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।”
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”