
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। তরুণ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তরুণীর মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।”
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয়টিরই সাবেক এক শিক্ষার্থী নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, এফবিআই এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, তিনি দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও অন্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, “এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহায়তা করছে। অন্য ঘটনাটিতেও আমরা সহায়তা দেব।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে এমভি বাংলার জয়যাত্রাসহ দেশের জাহাজগুলো নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে।
সাম্প্রতিক আফ্রিকা সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সেনেগাল ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে। পাশাপাশি দেশ দুটির সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার করা হবে।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। তরুণ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তরুণীর মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।”
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয়টিরই সাবেক এক শিক্ষার্থী নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, এফবিআই এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, তিনি দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও অন্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, “এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহায়তা করছে। অন্য ঘটনাটিতেও আমরা সহায়তা দেব।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে এমভি বাংলার জয়যাত্রাসহ দেশের জাহাজগুলো নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে।
সাম্প্রতিক আফ্রিকা সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সেনেগাল ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে। পাশাপাশি দেশ দুটির সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার করা হবে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।