
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর রাজশাহীতে এক রোগীর মৃত্যু হয়। পরে তার নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা।
বাংলাদেশে শনাক্তের এই খবরের প্রকাশের আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এই ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিমবঙ্গে প্রাদুর্ভাবের পর চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে উদ্বেগ বাড়ায় বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে। তবে বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে ডব্লিউএইচও কোনো ভ্রমণ বা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেনি।
ঝুঁকি মূল্যায়নে ডব্লিউএইচও বলেছে, নিপাহ ভাইরাসে জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কম। আন্তর্জাতিকভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও কম বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।
তা ছাড়া আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা অতিরিক্ত ৩৫ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে, তবে নতুন কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৪৮টি নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সাধারণত ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল-এই মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ ও পান করার সময় প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিপাহ ভাইরাস অত্যন্ত মারাত্মক। এতে মৃত্যুর হার প্রায় ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি এবং গলাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায়।
পরবর্তীতে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, আচরণগত অসংলগ্নতা, নিউমোনিয়া এবং এমনকি এনসেফালাইটিস—অর্থাৎ মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসের জন্য কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা নেই। তবে ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি টিকা নিয়ে গবেষণা চলছে।

বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর রাজশাহীতে এক রোগীর মৃত্যু হয়। পরে তার নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা।
বাংলাদেশে শনাক্তের এই খবরের প্রকাশের আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এই ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিমবঙ্গে প্রাদুর্ভাবের পর চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে উদ্বেগ বাড়ায় বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে। তবে বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে ডব্লিউএইচও কোনো ভ্রমণ বা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেনি।
ঝুঁকি মূল্যায়নে ডব্লিউএইচও বলেছে, নিপাহ ভাইরাসে জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কম। আন্তর্জাতিকভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও কম বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।
তা ছাড়া আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা অতিরিক্ত ৩৫ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে, তবে নতুন কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৪৮টি নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সাধারণত ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল-এই মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ ও পান করার সময় প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিপাহ ভাইরাস অত্যন্ত মারাত্মক। এতে মৃত্যুর হার প্রায় ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি এবং গলাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায়।
পরবর্তীতে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, আচরণগত অসংলগ্নতা, নিউমোনিয়া এবং এমনকি এনসেফালাইটিস—অর্থাৎ মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসের জন্য কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা নেই। তবে ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি টিকা নিয়ে গবেষণা চলছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।