
নিমাই সরকার

শিল্পী সুনীল কুমারের চতুর্থ একক চিত্র প্রদর্শনী চলছে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। দুই সপ্তাহব্যাপী ‘বিশ্বপথের মগ্নতা’ নামের এ আসর শেষ হবে আগামী ১ অক্টোবর। প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণব ভার্মা বলেন , বাংলাদেশ ও ভারতের আধুনিক শিল্পকলার গতি প্রকৃতি এক দেশ অন্য দেশের ওপর গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এই চর্চার মধ্য দিয়ে দুই দেশের শিল্পীরা একে অন্যের শিল্প কর্ম থেকে প্রেরণা পেয়ে থাকেন এবং একইভাবে দুটি সমাজ পরস্পরের কাছাকাছি আসে ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেণ্য শিল্পী মনিরুল ইসলাম।
শিল্পী সুনীল কুমারের চিত্র মানব অস্তিত্ব এবং এর অনুদ্ঘাটিত জটিল বিষয়গুলো ব্যাখ্যার আহ্বান জানায়। তিনি চিত্রে নাটবোল্ট ব্যবহার করেন। এত নাট বোল্ট কেন! এটা ছিল অতিথির আন্তরিক জিজ্ঞাসা।

আধুনিক জীবনে বড় একটা ভাগ দখল করে নিয়েছে যন্ত্র। সুতরাং এর অপরিহার্যতা এড়ানো যায় না। বিপরীতে এটা অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে যা জীবন পথে সৃষ্টি করেছে বড় বাধা। যান্ত্রিক এই জীবনের ব্যাখ্যায় নাটবোল্ট তার প্রতীকী ব্যবহার, শিল্পীও উত্তর দেন সাবলীলভাবে। ।
সুনীলের কাজে নিজস্বতা প্রকাশ পেয়েছে। দেয়ালের ছবিতে অঙুলি নির্দেশ করে—মন্তব্য অতিথির। বলেন,ছবি আঁকতে যেয়ে তিনি মানুষের অঙ্গ প্রতঙ্গকে ভেঙে-চুড়ে সাজিয়েছেন। মৌলিক অঙ্কনে পারদর্শী বলেই এটা সম্ভব হয়েছে, জোর দিয়েই বলেন তিনি।
শিল্পী নারীকে পাখির মতোই দেখেন। নদী নারী পাখি সবই যে প্রকৃতির অংশ। এ দেশের রমনীগুলো নদীর মতো, নদীও নারীর মতো কথা কয়। আর পাখি? তার গান নদী নারীর মতোই। বাদামি রঙের কাগজে চারকোলের এ ছবি নিয়ে যায় মধুমতি ধানসিঁড়ি নদীর তীরে।
তবে সফট প্যাস্টেল রঙে আঁকা তিনি এবং তাহারা–র মুখচ্ছবি দেখে দর্শকরা কি আতংকিত হন? শান্ত স্নিগ্ধ এক নারী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, এ দৃশ্য কারও দৃষ্টি এড়ায় না। ওই ট্যারা চোখে তাকানো কদর্য মুখগুলো প্রতিনিয়ত দেখতে হয় এই নারীদের।

নারী চরিত্রের লুকানো একটি কাহিনী তৈরী করেছেন শিল্পী। যেন নারীকে দিয়ে বলিয়েছেন , দেখ সমাজ, আমাকে যেভাবেই নাজেহাল কর না কেন, আমি আমি-ই। কাগজে চারকোলে আঁকা এ ছবি অনন্যতা পেয়েছে বলা যায়।
আর এক কাহিনি তাঁর, রবীন্দ্রনাথ আর নজরুল ইসলামকে নিয়ে।
আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে... গেয়ে ওঠে মন। মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মতো চঞ্চল। তরুণেরা মুক্তবন্ধনহীন শতদলের মতোই বিকশিত হতে চায়। অনুমান, চারকোলের এ কাজে সুনীল স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক এন ম্যারি জর্জ শুভেচ্ছা জানান অভ্যাগতদের। তিনি বলেন, বিশ্বপথে শিল্পীর ক্যানভাস জীবনের সমস্যাগুলো তুলে ধরে। আবার শিল্পের মধ্য দিয়েই সমাধানের পথ বাতলে দেয়। প্রকৃত অর্থে সুনীল কুমার তাঁর চর্চার মধ্য দিয়ে ক্যানভাসকে গল্প বলার আসরে উত্তীর্ণ করেছেন।
চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে নৃত্যের মাধ্যমে শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন রঙকে উপস্থাপন করা হয়।
তার আগে শিল্পী ‘বিশ্বপথের মগ্নতা’র তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। বলেন, মানুষকে ভালোবাসি আমি, তাই মানুষের ছবি আঁকি। প্রকৃতিও আমার সৃষ্টির বড় উপাস্য। মানুষকে ভালবেসে পথ চলতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি ভালোবাসা-সিক্ত মধুময় কাব্য। পেয়েছি সমাজের অনাচার-অবিচার-নির্যাতনের অমানবিক বিষাদের করুণ গল্পও। সেই পথের গল্পগুলোকেই রঙ-রেখায় আঁকার চেষ্টা করেছি আপন শৈলীতে- আমার ক্যানভাসে, আমার চিত্রপটে।

শিল্পী সুনীল কুমারের চতুর্থ একক চিত্র প্রদর্শনী চলছে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। দুই সপ্তাহব্যাপী ‘বিশ্বপথের মগ্নতা’ নামের এ আসর শেষ হবে আগামী ১ অক্টোবর। প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণব ভার্মা বলেন , বাংলাদেশ ও ভারতের আধুনিক শিল্পকলার গতি প্রকৃতি এক দেশ অন্য দেশের ওপর গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এই চর্চার মধ্য দিয়ে দুই দেশের শিল্পীরা একে অন্যের শিল্প কর্ম থেকে প্রেরণা পেয়ে থাকেন এবং একইভাবে দুটি সমাজ পরস্পরের কাছাকাছি আসে ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেণ্য শিল্পী মনিরুল ইসলাম।
শিল্পী সুনীল কুমারের চিত্র মানব অস্তিত্ব এবং এর অনুদ্ঘাটিত জটিল বিষয়গুলো ব্যাখ্যার আহ্বান জানায়। তিনি চিত্রে নাটবোল্ট ব্যবহার করেন। এত নাট বোল্ট কেন! এটা ছিল অতিথির আন্তরিক জিজ্ঞাসা।

আধুনিক জীবনে বড় একটা ভাগ দখল করে নিয়েছে যন্ত্র। সুতরাং এর অপরিহার্যতা এড়ানো যায় না। বিপরীতে এটা অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে যা জীবন পথে সৃষ্টি করেছে বড় বাধা। যান্ত্রিক এই জীবনের ব্যাখ্যায় নাটবোল্ট তার প্রতীকী ব্যবহার, শিল্পীও উত্তর দেন সাবলীলভাবে। ।
সুনীলের কাজে নিজস্বতা প্রকাশ পেয়েছে। দেয়ালের ছবিতে অঙুলি নির্দেশ করে—মন্তব্য অতিথির। বলেন,ছবি আঁকতে যেয়ে তিনি মানুষের অঙ্গ প্রতঙ্গকে ভেঙে-চুড়ে সাজিয়েছেন। মৌলিক অঙ্কনে পারদর্শী বলেই এটা সম্ভব হয়েছে, জোর দিয়েই বলেন তিনি।
শিল্পী নারীকে পাখির মতোই দেখেন। নদী নারী পাখি সবই যে প্রকৃতির অংশ। এ দেশের রমনীগুলো নদীর মতো, নদীও নারীর মতো কথা কয়। আর পাখি? তার গান নদী নারীর মতোই। বাদামি রঙের কাগজে চারকোলের এ ছবি নিয়ে যায় মধুমতি ধানসিঁড়ি নদীর তীরে।
তবে সফট প্যাস্টেল রঙে আঁকা তিনি এবং তাহারা–র মুখচ্ছবি দেখে দর্শকরা কি আতংকিত হন? শান্ত স্নিগ্ধ এক নারী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, এ দৃশ্য কারও দৃষ্টি এড়ায় না। ওই ট্যারা চোখে তাকানো কদর্য মুখগুলো প্রতিনিয়ত দেখতে হয় এই নারীদের।

নারী চরিত্রের লুকানো একটি কাহিনী তৈরী করেছেন শিল্পী। যেন নারীকে দিয়ে বলিয়েছেন , দেখ সমাজ, আমাকে যেভাবেই নাজেহাল কর না কেন, আমি আমি-ই। কাগজে চারকোলে আঁকা এ ছবি অনন্যতা পেয়েছে বলা যায়।
আর এক কাহিনি তাঁর, রবীন্দ্রনাথ আর নজরুল ইসলামকে নিয়ে।
আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে... গেয়ে ওঠে মন। মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মতো চঞ্চল। তরুণেরা মুক্তবন্ধনহীন শতদলের মতোই বিকশিত হতে চায়। অনুমান, চারকোলের এ কাজে সুনীল স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক এন ম্যারি জর্জ শুভেচ্ছা জানান অভ্যাগতদের। তিনি বলেন, বিশ্বপথে শিল্পীর ক্যানভাস জীবনের সমস্যাগুলো তুলে ধরে। আবার শিল্পের মধ্য দিয়েই সমাধানের পথ বাতলে দেয়। প্রকৃত অর্থে সুনীল কুমার তাঁর চর্চার মধ্য দিয়ে ক্যানভাসকে গল্প বলার আসরে উত্তীর্ণ করেছেন।
চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে নৃত্যের মাধ্যমে শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন রঙকে উপস্থাপন করা হয়।
তার আগে শিল্পী ‘বিশ্বপথের মগ্নতা’র তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। বলেন, মানুষকে ভালোবাসি আমি, তাই মানুষের ছবি আঁকি। প্রকৃতিও আমার সৃষ্টির বড় উপাস্য। মানুষকে ভালবেসে পথ চলতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি ভালোবাসা-সিক্ত মধুময় কাব্য। পেয়েছি সমাজের অনাচার-অবিচার-নির্যাতনের অমানবিক বিষাদের করুণ গল্পও। সেই পথের গল্পগুলোকেই রঙ-রেখায় আঁকার চেষ্টা করেছি আপন শৈলীতে- আমার ক্যানভাসে, আমার চিত্রপটে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।