
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সৌদি আরবে ভ্রমণ, ওমরাহ ও ফাইনাল এক্সিট ভিসায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের বিনা জরিমানায় দেশ ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তারা আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারবেন। এ সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন টিকিট নিয়ে সরাসরি বিমানবন্দরে গেলেই দেশ ছাড়ার সুযোগ থাকবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে কোনো ভিসা নবায়ন বা জরিমানা ছাড়াই সৌদি আরব ত্যাগ করা যাবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসাধারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়তে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ না করলে পরবর্তীতে আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হবে। তাই ভ্রমণ, ওমরাহ ও ফাইনাল এক্সিট ভিসাধারীদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে ভ্রমণ, ওমরাহ ও ফাইনাল এক্সিট ভিসায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের বিনা জরিমানায় দেশ ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তারা আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারবেন। এ সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন টিকিট নিয়ে সরাসরি বিমানবন্দরে গেলেই দেশ ছাড়ার সুযোগ থাকবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে কোনো ভিসা নবায়ন বা জরিমানা ছাড়াই সৌদি আরব ত্যাগ করা যাবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসাধারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়তে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ না করলে পরবর্তীতে আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হবে। তাই ভ্রমণ, ওমরাহ ও ফাইনাল এক্সিট ভিসাধারীদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।