
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের মরদেহ আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) দেশে আসবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
মোশাররফ হোসেন টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কচুয়ার কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। গত ৮ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি মারা যান।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোশাররফ হোসেনের মরদেহ ২০ মার্চ সকাল পৌনে ১১টায় সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ মার্চের ওই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত এবং বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন। আহতদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল মামুন গতকাল মঙ্গলবার মারা গেছেন। তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের মরদেহ আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) দেশে আসবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
মোশাররফ হোসেন টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কচুয়ার কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। গত ৮ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি মারা যান।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোশাররফ হোসেনের মরদেহ ২০ মার্চ সকাল পৌনে ১১টায় সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ মার্চের ওই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত এবং বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন। আহতদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল মামুন গতকাল মঙ্গলবার মারা গেছেন। তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।