
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শেষ পর্যন্ত দেখা হলো তাঁদের। দেখা হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে আজ ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। কুশল বিনিময় করলেন তাঁরা। তাঁরা হলেন এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তাঁদের পাশাপাশি চেয়ারে বসে কথা বলতে দেখা যায়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
জানা গেছে, প্রায় এক যুগ পর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেনাকুঞ্জের ওই অনুষ্ঠানে তিনি ছিলেন সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সামরিক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্টজনরাও তাঁর উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হন।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহবান জানান।
আজ বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ একযুগ পর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। কারামুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন তিনি।
বিএনপি নেত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌছানোর পর একে একে বিশিষ্টজনেরা তার সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তিন অগ্রনায়ক নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।

শেষ পর্যন্ত দেখা হলো তাঁদের। দেখা হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে আজ ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। কুশল বিনিময় করলেন তাঁরা। তাঁরা হলেন এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তাঁদের পাশাপাশি চেয়ারে বসে কথা বলতে দেখা যায়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
জানা গেছে, প্রায় এক যুগ পর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেনাকুঞ্জের ওই অনুষ্ঠানে তিনি ছিলেন সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সামরিক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্টজনরাও তাঁর উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হন।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহবান জানান।
আজ বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ একযুগ পর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। কারামুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন তিনি।
বিএনপি নেত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌছানোর পর একে একে বিশিষ্টজনেরা তার সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তিন অগ্রনায়ক নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।