
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলার একচি স্টলে লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বই বিক্রি নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকা ‘সব্যসাচী’ নামের স্টলটি ঘিরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই স্টল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। স্টলে থাকা ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ওই প্রকাশনীর স্টলের সামনে কয়েকজন জড়ো হন। তারা স্টল থেকে তসলিমা নাসরিনের বইগুলো সরিয়ে ফেলতে বলেন। এ সময় স্টলে থাকা এক ব্যক্তি তাদের কথার প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। স্টলের সামনে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতি চলার মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্টলের ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে নেয়। পরে স্টলটি ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলার একচি স্টলে লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বই বিক্রি নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকা ‘সব্যসাচী’ নামের স্টলটি ঘিরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই স্টল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। স্টলে থাকা ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ওই প্রকাশনীর স্টলের সামনে কয়েকজন জড়ো হন। তারা স্টল থেকে তসলিমা নাসরিনের বইগুলো সরিয়ে ফেলতে বলেন। এ সময় স্টলে থাকা এক ব্যক্তি তাদের কথার প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। স্টলের সামনে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতি চলার মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্টলের ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে নেয়। পরে স্টলটি ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।