
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় শিগগিরই ইতিবাচক অগ্রগতি আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি জানিয়েছেন, এই নতুন দুটি শ্রমবাজার পুরোদমে চালু হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী বিদেশে পাঠানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক জানান, বর্তমানে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিকল্প ও শক্তিশালী শ্রমবাজার হিসেবে নতুন গন্তব্য তৈরি হবে।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, আমরা অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে দেব যাতে অতিরিক্ত খরচ ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আপাতত কিছু দেশে কর্মী পাঠানো ধীরগতির হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে সেখানে বিপুল জনবলের চাহিদা তৈরি হবে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা বয়ে আনবে।
বিদেশগামী কর্মীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে নুরুল হক বলেন, কোরিয়া, জাপান, চীন ও জার্মানিসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এই ঋণ প্রদান করবে। তবে এই অর্থ সরাসরি নগদ হিসেবে দেওয়া হবে না; বরং নির্দিষ্ট খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে এটি সরাসরি ব্যবহার করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরসহ কিছু দেশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির একচেটিয়া প্রভাব বা সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব ক্ষেত্রে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে এবং সিন্ডিকেট ভাঙার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আগের নির্দেশনার আলোকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে ফলোআপ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় শিগগিরই ইতিবাচক অগ্রগতি আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি জানিয়েছেন, এই নতুন দুটি শ্রমবাজার পুরোদমে চালু হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী বিদেশে পাঠানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক জানান, বর্তমানে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিকল্প ও শক্তিশালী শ্রমবাজার হিসেবে নতুন গন্তব্য তৈরি হবে।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, আমরা অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে দেব যাতে অতিরিক্ত খরচ ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আপাতত কিছু দেশে কর্মী পাঠানো ধীরগতির হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে সেখানে বিপুল জনবলের চাহিদা তৈরি হবে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা বয়ে আনবে।
বিদেশগামী কর্মীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে নুরুল হক বলেন, কোরিয়া, জাপান, চীন ও জার্মানিসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এই ঋণ প্রদান করবে। তবে এই অর্থ সরাসরি নগদ হিসেবে দেওয়া হবে না; বরং নির্দিষ্ট খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে এটি সরাসরি ব্যবহার করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরসহ কিছু দেশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির একচেটিয়া প্রভাব বা সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব ক্ষেত্রে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে এবং সিন্ডিকেট ভাঙার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আগের নির্দেশনার আলোকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে ফলোআপ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণই চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরন এবং জনসংখ্যার বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই।