
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাস থেকে আসা বাবার লাশ দাফন করেই দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে হলো ১৫ বছর বয়সী কিশোর মেহনাব হোসেনকে। আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড়ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
মেহনাব হোসেনের বাবার নাম মো. জসিম উদ্দিন (৪৫)। আজ সকাল সাড়ে আটটায় নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা মো. আলাউদ্দিন আহম্মেদের কবরের পাশে তার দাফন করা হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার লাশ পৌঁছায়। ওই রাতেই গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমায় মরদেহ নিয়ে আসা হয়।
প্রায় সাত বছর আগে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন মো. জসিম উদ্দিন। কথা ছিল আসছে ঈদুল আজহার আগে বাড়ি ফিরবেন। পরিবার–পরিজনের সঙ্গে ঈদ করবেন। গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমাতে ফিরলেন ঠিকই। তবে জীবিত নয়, লাশ হয়ে।
আজ সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, অন্যদের সঙ্গে ছেলে মেহনাব হোসেন বাবার লাশের খাটিয়া কাঁধে করে কবরের কাছে নিয়ে যান। লাশ কবরে রেখে দাফন সম্পন্ন করে ছুটে যান পরীক্ষার কেন্দ্রে।
মেহনাব হোসেন এ বছর কালাইয়া রব্বানিয়া কামিলা মাদ্রাসাকেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে। আজ কৃষি বিষয়ের পরীক্ষা হয়। তার ছোট বোন মোছা. জেরিন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
জসিমের ছোট ভাই মো. মাহফুজ বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৫ সালে সৌদি আরব গিয়েছিলেন জসিম। ২০১৭ সালে বাড়ি ফিরে এসে মুরগির খামার করেছিলেন। মুরগির খামারে লোকসানে প্রবাসের আয় করা সব টাকা শেষ হয়ে যায়। উল্টো ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে চলে যান মালদ্বীপে। মালদ্বীপের কুলহুধুফুশি আইসল্যান্ডে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আসছে ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরার কথা ছিল। ২৫ এপ্রিল, শুক্রবার বুকে ব্যথা নিয়ে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই বাসায় ফিরে যান। পরের দিন শনিবার রাতে বুকে ব্যথা অনুভব হলে সহকর্মীরা তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত চারটার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. মাসুমা আক্তার (৩৭) বলেন, স্বপ্ন ছিল কাজ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবেন; সংসারে ফিরিয়ে আনবেন সচ্ছলতা। হাসি ফোটাবেন স্ত্রী-সন্তানদের মুখে। স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তেও এসেছিলেন। ঠিক তখনই মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
আরও পড়ুন

প্রবাস থেকে আসা বাবার লাশ দাফন করেই দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে হলো ১৫ বছর বয়সী কিশোর মেহনাব হোসেনকে। আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড়ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
মেহনাব হোসেনের বাবার নাম মো. জসিম উদ্দিন (৪৫)। আজ সকাল সাড়ে আটটায় নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা মো. আলাউদ্দিন আহম্মেদের কবরের পাশে তার দাফন করা হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার লাশ পৌঁছায়। ওই রাতেই গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমায় মরদেহ নিয়ে আসা হয়।
প্রায় সাত বছর আগে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন মো. জসিম উদ্দিন। কথা ছিল আসছে ঈদুল আজহার আগে বাড়ি ফিরবেন। পরিবার–পরিজনের সঙ্গে ঈদ করবেন। গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমাতে ফিরলেন ঠিকই। তবে জীবিত নয়, লাশ হয়ে।
আজ সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, অন্যদের সঙ্গে ছেলে মেহনাব হোসেন বাবার লাশের খাটিয়া কাঁধে করে কবরের কাছে নিয়ে যান। লাশ কবরে রেখে দাফন সম্পন্ন করে ছুটে যান পরীক্ষার কেন্দ্রে।
মেহনাব হোসেন এ বছর কালাইয়া রব্বানিয়া কামিলা মাদ্রাসাকেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে। আজ কৃষি বিষয়ের পরীক্ষা হয়। তার ছোট বোন মোছা. জেরিন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
জসিমের ছোট ভাই মো. মাহফুজ বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৫ সালে সৌদি আরব গিয়েছিলেন জসিম। ২০১৭ সালে বাড়ি ফিরে এসে মুরগির খামার করেছিলেন। মুরগির খামারে লোকসানে প্রবাসের আয় করা সব টাকা শেষ হয়ে যায়। উল্টো ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে চলে যান মালদ্বীপে। মালদ্বীপের কুলহুধুফুশি আইসল্যান্ডে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আসছে ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরার কথা ছিল। ২৫ এপ্রিল, শুক্রবার বুকে ব্যথা নিয়ে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই বাসায় ফিরে যান। পরের দিন শনিবার রাতে বুকে ব্যথা অনুভব হলে সহকর্মীরা তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত চারটার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. মাসুমা আক্তার (৩৭) বলেন, স্বপ্ন ছিল কাজ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবেন; সংসারে ফিরিয়ে আনবেন সচ্ছলতা। হাসি ফোটাবেন স্ত্রী-সন্তানদের মুখে। স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তেও এসেছিলেন। ঠিক তখনই মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
আরও পড়ুন
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।