
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩০ বাংলাদেশিকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের বহনকারী একটি বিমান অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে নিয়োজিত পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফেরত আসা অভিবাসীদের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানরত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮৭ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে এসবি সূত্রে জানািয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়া ব্যক্তিদেরই দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। যাদেরকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, তাদের বিষয়ে আগেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩০ বাংলাদেশিকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের বহনকারী একটি বিমান অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে নিয়োজিত পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফেরত আসা অভিবাসীদের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানরত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮৭ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে এসবি সূত্রে জানািয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়া ব্যক্তিদেরই দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। যাদেরকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, তাদের বিষয়ে আগেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।