
বিডিজেন ডেস্ক

হবিগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নূরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহতরা হলেন- ওই উপজেলার ব্রাহ্মণডুরা গ্রামের ছাবেদ আলীর ছেলে শাহ আলম (২৬) ও বেনু মিয়ার ছেলে সুয়েম মিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী শুক্রবার শাহ আলমের বিয়ে হতে চলছিল, এ জন্য দুই বন্ধু বিয়ের বাজার করতে হবিগঞ্জ শহরে যান। কেনাকাটা শেষে সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সুয়েম মিয়া মারা যান। গুরুত্বর আহত অবস্থায় শাহ আলমকে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হবিগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নূরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহতরা হলেন- ওই উপজেলার ব্রাহ্মণডুরা গ্রামের ছাবেদ আলীর ছেলে শাহ আলম (২৬) ও বেনু মিয়ার ছেলে সুয়েম মিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী শুক্রবার শাহ আলমের বিয়ে হতে চলছিল, এ জন্য দুই বন্ধু বিয়ের বাজার করতে হবিগঞ্জ শহরে যান। কেনাকাটা শেষে সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সুয়েম মিয়া মারা যান। গুরুত্বর আহত অবস্থায় শাহ আলমকে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।