
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা এ বছর এক দিনে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
শনিবার (২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চারজন, বরিশাল বিভাগে তিনজন এবং সিটি করপোরেশন ছাড়া ঢাকা বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৬৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭২ রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে। এরপর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮০, ঢাকা বিভাগে ১৬৯, বরিশাল বিভাগে ১২৫, খুলনা বিভাগে ৮১, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪০, রাজশাহী বিভাগে ২১, সিলেট বিভাগের ৫ ও রংপুর বিভাগের হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের জুলাই থেকে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। জুলাই মাসে ডেঙ্গুতে ২ হাজার ৬৬৯ জন আক্রান্ত হন। পরের মাস আগস্টে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫২১। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ গুণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৯৭। অক্টোবর মাসে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন।
এ বছর এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ১৬৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় গত বছর। ২০২৩ সালৈ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি ৩৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই সময় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৯ হাজার ৫৯৮ জন।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা এ বছর এক দিনে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
শনিবার (২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চারজন, বরিশাল বিভাগে তিনজন এবং সিটি করপোরেশন ছাড়া ঢাকা বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৬৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭২ রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে। এরপর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮০, ঢাকা বিভাগে ১৬৯, বরিশাল বিভাগে ১২৫, খুলনা বিভাগে ৮১, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪০, রাজশাহী বিভাগে ২১, সিলেট বিভাগের ৫ ও রংপুর বিভাগের হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের জুলাই থেকে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। জুলাই মাসে ডেঙ্গুতে ২ হাজার ৬৬৯ জন আক্রান্ত হন। পরের মাস আগস্টে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫২১। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ গুণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৯৭। অক্টোবর মাসে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন।
এ বছর এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ১৬৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় গত বছর। ২০২৩ সালৈ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি ৩৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই সময় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৯ হাজার ৫৯৮ জন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।