
বিডিজেন ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সদর উপজেলা শাখার সদস্য আবদুল খালেক বাদলকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ভোররাতে ঢাকার মিরপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আবদুল খালেক বাদল লক্ষ্মীপুর সদরের চরমনসা এলাকার বাসিন্দা। ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আবদুল খালেক বাদলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ। তিনি বলেন, বাদল ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
৪ আগস্ট দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের তমিজ মার্কেট এলাকার সামনে ছাত্র-জনতা ও পুলিশের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ আল আফনান, ওসমান গনি ও সাব্বির হোসেনসহ ৪ শিক্ষার্থী নিহত হন। এ সময় প্রায় ৩০০ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এসব ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করা হয়।

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সদর উপজেলা শাখার সদস্য আবদুল খালেক বাদলকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ভোররাতে ঢাকার মিরপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আবদুল খালেক বাদল লক্ষ্মীপুর সদরের চরমনসা এলাকার বাসিন্দা। ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আবদুল খালেক বাদলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ। তিনি বলেন, বাদল ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
৪ আগস্ট দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের তমিজ মার্কেট এলাকার সামনে ছাত্র-জনতা ও পুলিশের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ আল আফনান, ওসমান গনি ও সাব্বির হোসেনসহ ৪ শিক্ষার্থী নিহত হন। এ সময় প্রায় ৩০০ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এসব ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করা হয়।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।