logo
খবর

চট্টগ্রামে ৯ ঘণ্টা পর নিভেছে তেলের গুদামসহ ১০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লাগা আগুন

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক২৭ জানুয়ারি ২০২৫
Copied!
চট্টগ্রামে ৯ ঘণ্টা পর নিভেছে তেলের গুদামসহ ১০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লাগা আগুন
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। রোববার রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে। ছবি: প্রথম আলো চ

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে একটি তেলের গুদামসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। গতকাল রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় লাগা এই আগুন আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুরোপুরি নিভেছে।

খবর প্রথম আলোর।

আগুনে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আসবাবপত্রের দোকান ও কারখানার।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. নুরুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের নিচে কারখানা ও ওপরে শোরুম ছিল। প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল ছিল এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, একটি তেলের গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আগুন লাগার খবরে তারা অনেকেই আগুন নেভাতে এসেছিলেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা প্রচণ্ড ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।

বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ও তার পাশের তেলের গুদাম, এস আলম ফার্নিচার, শাকিলের ভাঙারি দোকান, ঝুটের দোকান, একটি স্টেশনারি দোকানসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আজ সকাল ৮টার দিকে সরেজমিন ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের সদস্যদের আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা গেছে।

সলিমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে তেলের গুদামে আগুন লেগেছে। এরপর পাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

সকালে ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক। তিনি জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো গেছে। পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব লোহার কাঠামো দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। আগুনের তীব্রতায় লোহা গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়ে যাচ্ছিল। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক লাইনে তখন বিদ্যুৎ ছিল। সব মিলিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজ করতে হয়েছে। আগুন রাতে নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নেভাতে প্রায় ৯ ঘণ্টা সময় লেগেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পুরো এলাকা ঘুরে দেখেছি। দোকানগুলোতে মালামাল রাখার কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। ফলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পৌঁছাতে সমস্যা হয়েছে। এ ছাড়া, বৈদ্যুতিক তারেরও লুজ কানেকশন ছিল।’

ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বলেন, আগুনে প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। তেলের গুদাম ও আসবাবের কারখানা থাকায় আগুনের তীব্রতা অত্যন্ত বেশি ছিল। ফলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আরও দেখুন

৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট এখন দেশে

৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট এখন দেশে

৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।

১৯ ঘণ্টা আগে

ভূমিকম্পে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ

ভূমিকম্পে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ

রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।

১ দিন আগে

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ

গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

২ দিন আগে

২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫০ জন প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫০ জন প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।

২ দিন আগে