
বিডিজেন ডেস্ক

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাপ) চূড়ান্ত করেছে।
জিসিএম ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বহুপক্ষীয় পরামর্শ সভার পর এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম যৌথভাবে এ পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহ, সুশীল সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ফলে জিসিএম ন্যাপটি হয়েছে বাস্তবসম্মত, জাতীয়ভাবে মালিকানাধীন এবং বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রণীত।
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের দিকনির্দেশনায় খসড়া প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে আইওএম ও ইউএন মাইগ্রেশন।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাপ) চূড়ান্ত করেছে।
জিসিএম ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বহুপক্ষীয় পরামর্শ সভার পর এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম যৌথভাবে এ পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহ, সুশীল সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ফলে জিসিএম ন্যাপটি হয়েছে বাস্তবসম্মত, জাতীয়ভাবে মালিকানাধীন এবং বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রণীত।
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের দিকনির্দেশনায় খসড়া প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে আইওএম ও ইউএন মাইগ্রেশন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।