
তাজ ফারজানা আফরোজা

ও কবি,
তুমি আমার বন্ধু হবে?
জানো কী!
সহস্র ঘেরা চারিধার, মোর
তারার মেলা,
পাই না খুঁজে কুঞ্জ বনে
দুলব দোহে
লতার দোলায় থাকব মোহে,
আবির মেখে
টালির চূঁড়ায় কইব কথা,
হাসবে দেখে
পলাশ শিমুল বকুল সেথা।
বন্ধু হবে?
ভয় পেয়ো না ভেব না বলে,
তোমায় নিয়ে
পরির দেশে যাব না চলে।
চমকিও না
বজ্রপাতে গগনতলে
ডাকব না কো,
জলোচ্ছ্বাসে গাঙের স্রোতে
টেনে তলায়
ঘূর্ণি খেয়ে প্যাঁচের পাকে
ফেলব না গো।
জানি গো জানি!!
নিয়ম বাঁধা শিকল পায়ে
ভুবন তোমার,
পূঁথির মাল্যে থাকো মেতে
কাব্য গাঁথার।
সীমার বাঁধন পেরিয়ে আসতে
বলিনি তো!!!
সুনীল আকাশ পাহাড় নদী
ছুঁয়ে যেতে,
ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে ভেসে
আসো যদি,
শ্রাবণ মেঘের পবন বায়ে।
পারবে না গো!!!
বাস তোমার পাতাল পুরে
তারি পরে
মায়ার বাঁধন ছিন্ন মূলে
ভাঙবে নিয়ম?
পারবে না কো আসতে তুমি
পারবে না!!
যুগ যুগান্তে দেখো যে সেই
মেঘের বুকে
তুলো হয়ে ভেসে বেড়াই।
জলের কণা
জাল বুনে তার ভার না সয়ে
বৃষ্টি হয়ে
শান্ত নদীর বুকে বারি ধারায়।
রোদের টানে
ফের ছুটি হায় বাষ্প ধোঁয়ায়
ঊর্ধ্বকাশে।
চক্রাকারে ধরণীও আপন লীলায়
থাকে মেতে।
আপন লীলায়।
তাজ ফারজানা আফরোজা: বগুড়া

ও কবি,
তুমি আমার বন্ধু হবে?
জানো কী!
সহস্র ঘেরা চারিধার, মোর
তারার মেলা,
পাই না খুঁজে কুঞ্জ বনে
দুলব দোহে
লতার দোলায় থাকব মোহে,
আবির মেখে
টালির চূঁড়ায় কইব কথা,
হাসবে দেখে
পলাশ শিমুল বকুল সেথা।
বন্ধু হবে?
ভয় পেয়ো না ভেব না বলে,
তোমায় নিয়ে
পরির দেশে যাব না চলে।
চমকিও না
বজ্রপাতে গগনতলে
ডাকব না কো,
জলোচ্ছ্বাসে গাঙের স্রোতে
টেনে তলায়
ঘূর্ণি খেয়ে প্যাঁচের পাকে
ফেলব না গো।
জানি গো জানি!!
নিয়ম বাঁধা শিকল পায়ে
ভুবন তোমার,
পূঁথির মাল্যে থাকো মেতে
কাব্য গাঁথার।
সীমার বাঁধন পেরিয়ে আসতে
বলিনি তো!!!
সুনীল আকাশ পাহাড় নদী
ছুঁয়ে যেতে,
ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে ভেসে
আসো যদি,
শ্রাবণ মেঘের পবন বায়ে।
পারবে না গো!!!
বাস তোমার পাতাল পুরে
তারি পরে
মায়ার বাঁধন ছিন্ন মূলে
ভাঙবে নিয়ম?
পারবে না কো আসতে তুমি
পারবে না!!
যুগ যুগান্তে দেখো যে সেই
মেঘের বুকে
তুলো হয়ে ভেসে বেড়াই।
জলের কণা
জাল বুনে তার ভার না সয়ে
বৃষ্টি হয়ে
শান্ত নদীর বুকে বারি ধারায়।
রোদের টানে
ফের ছুটি হায় বাষ্প ধোঁয়ায়
ঊর্ধ্বকাশে।
চক্রাকারে ধরণীও আপন লীলায়
থাকে মেতে।
আপন লীলায়।
তাজ ফারজানা আফরোজা: বগুড়া
রুয়ান্ডার সমাজে দীর্ঘদিন ধরে হুতু ও তুতসি পরিচয় বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এই পরিচয়কে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হলো, তখন একটি সাধারণ সামাজিক বিভাজন ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেয়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো নিজেদের একটি ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখব, নাকি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান কৌশলগত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করব? জি৭-এর বার্তা আসলে সেই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে।
এশিয়ান বাবাদের কত রকম বাহানা শুনি। এটা খেতে পারেন না তো ওটা করে দিতে হয়। আম্মি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর আমার আব্বু খুকির মার রান্না করা খাবার মাসের পর মাস খেয়েছেন, নিজের কাজ নিজে করেছেন, আমাদের একটা নিরাপদ জায়গায় মানুষ করেছেন। কোনো অভিযোগ শুনিনি।
পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি নাগরিক সচেতনতা। আমরা যদি বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখি, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হতে পারে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব।