
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেড়েছে প্রতারণা। মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও পদবি ব্যবহার করে প্রতারকচক্র বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাপত্র সত্যায়নের জাল কপি প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার (২ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ হাইকমিশনে সত্যায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মালয়েশিয়া সরকার প্লান্টেশন সেক্টরে নির্বাচিত বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে চাহিদাপত্র সত্যায়নের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষত হোয়াটসঅ্যাপে দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও পদবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাপত্র সত্যায়নের জাল কপি প্রস্তুত করে শেয়ার করা হচ্ছে।
সত্যায়নের এমন জাল কপি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে প্রতারকচক্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে হাইকমিশন মনে করে।
এমতাবস্থায়, কর্মী নিয়োগের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন এবং এ সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য হাইকমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেড়েছে প্রতারণা। মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও পদবি ব্যবহার করে প্রতারকচক্র বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাপত্র সত্যায়নের জাল কপি প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার (২ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ হাইকমিশনে সত্যায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মালয়েশিয়া সরকার প্লান্টেশন সেক্টরে নির্বাচিত বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে চাহিদাপত্র সত্যায়নের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষত হোয়াটসঅ্যাপে দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও পদবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাপত্র সত্যায়নের জাল কপি প্রস্তুত করে শেয়ার করা হচ্ছে।
সত্যায়নের এমন জাল কপি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে প্রতারকচক্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে হাইকমিশন মনে করে।
এমতাবস্থায়, কর্মী নিয়োগের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন এবং এ সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য হাইকমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির জন্য কোনো নিয়োগ প্রতিষ্ঠান কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ চাইলে অথবা কোনো ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে সতর্ক থাকার অনুরোধ রইল। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অর্থ প্রদান করা অথবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের দায় bdgen24.com-এর নয়।]
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশকে কেবল শ্রম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে না দেখে দক্ষতা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, পেশাদারত্ব এবং স্বীকৃত দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাসরত সকল অনিয়মিত ও অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও শিক্ষকসহ অন্য যোগ্য পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত থাকা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার সব কিছু তৈরি হয়েছে। আশা করি আমরা দ্রুতই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব।