
বিডিজেন ডেস্ক

জাপানে মানবসম্পদ বিষয়ে বাংলাদেশ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও জিটকো আয়োজিত এই সেমিনারে প্রায় ৫০টি জাপানি কোম্পানি ও জনশক্তি নিয়োগকারী সংস্থা অংশ নেয়।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দেশটির রাজধানী টোকিওতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিলড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (জিটকো) সদর দপ্তরে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অন্যতম জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ওইডব্লিউবি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডও অংশ নেয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শাহ আসিফ রহমান।
তিনি মানবসম্পদসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ক্রমাগত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে মানবসম্পদের দিকে মনোনিবেশ করার। কারণ একদিকে বাংলাদেশের রয়েছে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি। অন্যদিকে জাপানে রয়েছে বিদেশি শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা। বর্তমানে জাপানে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জাপানে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণ ও এর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা প্রণয়নে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জয়নাল আবেদীন বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
জিটকোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর মাতসুতো মিশিজিও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং জাপানের ভবিষ্যত শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেন।
শোহাতসু কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসাতো মিজুশিমা, ইডব্লিউবি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর মাসামুনে ফুকুই এবং জাপানে কর্মরত দুজন বাংলাদেশি সেমিনারে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দুটি এমওসি স্বাক্ষরের পর দুই বছরে (২০২২-২০২৩) জাপানে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ে জাপানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ১৮ হাজার থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞপ্তি

জাপানে মানবসম্পদ বিষয়ে বাংলাদেশ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও জিটকো আয়োজিত এই সেমিনারে প্রায় ৫০টি জাপানি কোম্পানি ও জনশক্তি নিয়োগকারী সংস্থা অংশ নেয়।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দেশটির রাজধানী টোকিওতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিলড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (জিটকো) সদর দপ্তরে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অন্যতম জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ওইডব্লিউবি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডও অংশ নেয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শাহ আসিফ রহমান।
তিনি মানবসম্পদসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ক্রমাগত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে মানবসম্পদের দিকে মনোনিবেশ করার। কারণ একদিকে বাংলাদেশের রয়েছে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি। অন্যদিকে জাপানে রয়েছে বিদেশি শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা। বর্তমানে জাপানে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জাপানে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণ ও এর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা প্রণয়নে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জয়নাল আবেদীন বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
জিটকোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর মাতসুতো মিশিজিও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং জাপানের ভবিষ্যত শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেন।
শোহাতসু কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসাতো মিজুশিমা, ইডব্লিউবি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর মাসামুনে ফুকুই এবং জাপানে কর্মরত দুজন বাংলাদেশি সেমিনারে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দুটি এমওসি স্বাক্ষরের পর দুই বছরে (২০২২-২০২৩) জাপানে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ে জাপানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ১৮ হাজার থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞপ্তি
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির জন্য কোনো নিয়োগ প্রতিষ্ঠান কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ চাইলে অথবা কোনো ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে সতর্ক থাকার অনুরোধ রইল। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অর্থ প্রদান করা অথবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের দায় bdgen24.com-এর নয়।]
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশকে কেবল শ্রম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে না দেখে দক্ষতা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, পেশাদারত্ব এবং স্বীকৃত দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাসরত সকল অনিয়মিত ও অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও শিক্ষকসহ অন্য যোগ্য পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত থাকা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার সব কিছু তৈরি হয়েছে। আশা করি আমরা দ্রুতই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব।