
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, বরখাস্ত থাকা অবস্থায় কোনো কর্মী চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন না। গতকাল বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বরখাস্ত হওয়া কর্মীকে চাকরি পরিবর্তন করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তার অবস্থা সংশোধনের জন্য বর্তমান নিয়োগকর্তার অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ।
সম্প্রতি এক সৌদি নিয়োগকর্তা তার প্রতিষ্ঠানে এক বরখাস্ত কর্মীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে জানতে চান। এরপরই সৌদির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি আরবের কর্মীদের একটি বড় অংশই প্রবাসী। সম্প্রতি সৌদি সরকার চাকরির বাজারকে আরও আকর্ষণীয় এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে একাধিক শ্রম সংস্কার চালু করেছে।
দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূল কাজে অনুপস্থিত হওয়ার দিন থেকে অপর নিয়োগকর্তা বদল বা অন্য কাজে যোগদানের জন্য দুই মাস (৬০ দিন) সময় পাবেন প্রবাসী শ্রমিকরা। এই সময়ের মধ্যে তা করতে ব্যর্থ হলে চূড়ান্ত এক্সিট ভিসায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাবে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া সৌদিতে মাতৃত্বকালীন ছুটি ১০ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহে উন্নীত হয়েছে। আরেকটি সংশোধনীতে ‘ট্রায়াল’ নিয়োগের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১৮০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
শ্রমনীতিতে এমন পরিবর্তন আনার কারণে নিয়োগকর্তারা এখন এমন কাজগুলো এড়াতে বাধ্য হচ্ছে যা কর্মীদের কাজ করার সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে।

সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, বরখাস্ত থাকা অবস্থায় কোনো কর্মী চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন না। গতকাল বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বরখাস্ত হওয়া কর্মীকে চাকরি পরিবর্তন করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তার অবস্থা সংশোধনের জন্য বর্তমান নিয়োগকর্তার অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ।
সম্প্রতি এক সৌদি নিয়োগকর্তা তার প্রতিষ্ঠানে এক বরখাস্ত কর্মীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে জানতে চান। এরপরই সৌদির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি আরবের কর্মীদের একটি বড় অংশই প্রবাসী। সম্প্রতি সৌদি সরকার চাকরির বাজারকে আরও আকর্ষণীয় এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে একাধিক শ্রম সংস্কার চালু করেছে।
দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূল কাজে অনুপস্থিত হওয়ার দিন থেকে অপর নিয়োগকর্তা বদল বা অন্য কাজে যোগদানের জন্য দুই মাস (৬০ দিন) সময় পাবেন প্রবাসী শ্রমিকরা। এই সময়ের মধ্যে তা করতে ব্যর্থ হলে চূড়ান্ত এক্সিট ভিসায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাবে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া সৌদিতে মাতৃত্বকালীন ছুটি ১০ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহে উন্নীত হয়েছে। আরেকটি সংশোধনীতে ‘ট্রায়াল’ নিয়োগের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১৮০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
শ্রমনীতিতে এমন পরিবর্তন আনার কারণে নিয়োগকর্তারা এখন এমন কাজগুলো এড়াতে বাধ্য হচ্ছে যা কর্মীদের কাজ করার সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।