
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের বেশকিছু অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির জেনারেল ডিরেক্টরেট অব সিভিল ডিফেন্স এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মক্কা, রিয়াদ, মদিনা, তাবুক, হাইল, কাসিম, পূর্ব প্রদেশ, উত্তর সীমান্ত, আল-জৌফ, আল-বাহা ও আসির অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের জন্য আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বিশেষ করে, বাসিন্দাদের উপত্যকা ও আকস্মিক বন্যার মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া, জনগণকে সর্বশেষ আবহাওয়া সংক্রান্ত আপডেটের জন্য অফিসিয়াল চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

সৌদি আরবের বেশকিছু অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির জেনারেল ডিরেক্টরেট অব সিভিল ডিফেন্স এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মক্কা, রিয়াদ, মদিনা, তাবুক, হাইল, কাসিম, পূর্ব প্রদেশ, উত্তর সীমান্ত, আল-জৌফ, আল-বাহা ও আসির অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের জন্য আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বিশেষ করে, বাসিন্দাদের উপত্যকা ও আকস্মিক বন্যার মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া, জনগণকে সর্বশেষ আবহাওয়া সংক্রান্ত আপডেটের জন্য অফিসিয়াল চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রাখতে বলা হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।