logo
বিদেশে উচ্চশিক্ষা

বিদেশে পিএইচডি করতে চাইলে যা জানা জরুরি

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক৩০ নভেম্বর ২০২৪
Copied!
বিদেশে পিএইচডি করতে চাইলে যা জানা জরুরি
উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ ও স্বচ্ছ ধারণা থাকা দরকার।

বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করা যায়। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদনের ফরম ও ভর্তির জন্য ফি গ্রহণ করা হয় না। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় করে থাকতে পারে।

এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই মাসিক বৃত্তি প্রদান করে থাকে। শুধু বৃত্তিই নয়, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমফিল ফেলোশিপ ও পিএইচডি ফেলোশিপে আর্থিক বৃত্তি ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়।

যেসব জিনিস থাকতে হয়

১. স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন।

২. ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষা দিন।

৩. একটি গবেষণামূলক বিষয় স্থাপন করুন এবং গবেষণা শুরু করুন।

৪. গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশ করুন।

পিএইচডিতে জায়গাভেদে এবং সেশন জটসহ বিভিন্ন কারণে এই কোর্স শেষ করতে সর্বোচ্চ ৫ থেকে ৭ বছর সময় লেগে থাকে।

আপনি কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি কোর্স করতে চাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে থাকে পিএইচডি করার খরচ। তবে পিএইচডির গড় মোট খরচ প্রতি বছর সাধারণত প্রায় ৪০,৯০০ ডলারের মতো হয়ে থাকে।

পিএইচডিতে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই ফান্ড দেওয়া হয়, টিচিং/রিসার্চ অ্যাসিস্টান্টশিপ বা ফেলোশিপের মাধ্যমে। এর সাথে টিউশন ফিও মাফ করা হয়। আবার আপনি যদি স্কলারশিপ মাধ্যমে বিদেশে পিএইচডির জন্য নির্বাচিত হন, তাহলে খরচ অনেক কমে আসবে। বিনামূল্যেই আপনি সুযোগ পেতে পারেন।

বিদেশে পিএইচডি শেষে আপনি চাকরির সুযোগ পাবেন। তবে আপনি কোন সেক্টরে চাকরি করবেন, তা নির্ভর করবে আপনার পিএইচডি বা পূর্ববর্তী বিষয়ের ওপরে। আপনার পিএইচডির বিষয় বা প্রজেক্ট এবং গবেষণার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে আপনি ভবিষ্যতে একজন প্রফেশনাল গবেষক, বায়োকেমিস্ট ও বায়োমেডিকাল বিজ্ঞানীও হতে পারেন। আপনি বাংলাদেশসহ বিদেশের বিভিন্ন কোম্পানিতে বিজ্ঞান, গণিত ও ভৌত বিজ্ঞান সেক্টরেও বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করতে পারেন।

তবে বর্তমানে অনেকে ম্যাক্সিমাম পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা বিজ্ঞান, ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সেক্টরে কাজ করতে পছন্দ করেন এবং এসব সেক্টরের ভালো ভালো পজিশন বেছে নিচ্ছেন।

এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা, ডিগ্রি টপিক ও আপনার চাহিদা বা আগ্রহের ওপর।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র দিতে হয় । আপনি সহজেই আপনার পছন্দকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা থেকে এ তথ্য জেনে নিতে পারবেন।

১. জাতীয় পরিচয়পত্র।

২. পাসপোর্টের কপি।(বর্তমান ও আগের পাসপোর্টের ব্যবহৃত পাতা)

৩. সআবেদন ফরম।

৪. সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত চিঠি (কনফারমেশন অব এনরোলমেন্ট)

৫. স্বাস্থ্যবিমার প্রমাণপত্র।

৬. ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ।

৭. নেতৃত্বের গুণাবলি থাকতে হবে।

৮. গবেষণায় পারদর্শী হতে হবে।

৯. রেফারেন্স লেটার (রেফারেন্স লেটারের নমুনা/প্রয়োজনীয়তার জন্য পিডিএফ)।

১০. রিসার্চ প্রপোজাল।

১১. শিক্ষাগত যোগ্যতা (সকল বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট) ও কর্ম-অভিজ্ঞতা সনদ।

১২. পূরণকৃত অর্থনৈতিক সামর্থ্যের (স্পন্সর বা গ্যারান্টর) ফরম।

১৩. স্পন্সরের সঙ্গে আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ, পাসপোর্ট কিংবা স্কুলের কাগজপত্র।

১৪. স্পন্সরের আয়ের উৎসের বিস্তারিত কাগজপত্র।

১৫. কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (১২ মাসের বেশি পুরোনো নয়)।

১৬. বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী, সন্তানদের সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ ও বিবাহ সনদ।

১৭. স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রমাণপত্র।

আরও দেখুন

তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ

তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ

চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।

২৬ মার্চ ২০২৬

আইইএলটিএস ছাড়াই যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ দেয়

আইইএলটিএস ছাড়াই যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ দেয়

বিদেশে উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরির আবেদনে পূর্বশর্ত হিসেবে আইইএলটিএস স্কোরের কথা উল্লেখ করা থাকে। তবে আন্তর্জাতিক ভালো মানের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পরীক্ষার সনদ ছাড়াও পড়াশোনা করা সম্ভব।

২১ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থী ভিসা যাচাই কঠোর করল অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স

বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থী ভিসা যাচাই কঠোর করল অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

১০ জানুয়ারি ২০২৬

গুলশানের ওয়েস্টিনে অস্ট্রেলিয়া এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

গুলশানের ওয়েস্টিনে অস্ট্রেলিয়া এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।

০৯ জানুয়ারি ২০২৬