
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতে দিন দিন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কুয়েতের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি–বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাতের কারিগরি বিভাগে বেশ সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল সহযোগিতা দিয়ে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। তাদের কেউ কুয়েতের তেল মন্ত্রণালয়, কেউবা বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়, কেউ কৃষি মন্ত্রণালয় আবার কেউ বৈমানিক কিংবা টেলিকমিনেকেশন ইঞ্জিনিয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
গত শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) কুয়েতের কাবাদ অঞ্চলের একটি রিসোর্টে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ, (আইইবি) কুয়েত চ্যাপ্টারের বার্ষিক গেট টুগেদার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
দিনব্যাপী আনন্দ-উৎসবসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই মিলনমেলার। আয়োজনে ছিল নারী–পুরুষের বল নিক্ষেপ, বালিশ খেলা, বিঙ্গোসহ বিভিন্ন খেলাধুলা। গৃহিণীদের তৈরি পিঠা–পায়েশ, ফুচকা, চটপটি, নানান মিষ্টান্ন খাবারের সমারোহ।
কর্মব্যস্তময় প্রবাসজীবনে বছরে একটি দিন সবাই একত্র হয়ে তারা আনন্দিত হয়েছেন। পাশাপাশি তারা উদ্বিগ্ন দিন দিন কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সংখ্যার কমতি দেখে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল কুদ্দুস মল্লিক। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম।
এই মিলনমেলার মধ্য দিয়ে কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশরী ও তাদের পরিবারের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও মজবুত করার চেষ্টা করেন বলে জানান সংগঠনের চেয়ারম্যান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুয়েত এয়ারওয়েজের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল রহমান আল-দোইসারি, বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল করিম চৌধুরী, কুয়েতে নিয়োজিত বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টসের (বিএমসি) কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল আবেদীন, সংগঠনের অনারারি সেক্রেটারি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাহার আলী, কুয়েত জাতীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি (কেএনপিসি) প্রকৌশলী আবদুস সালাম, প্রকৌশলী আফতাব আহমেদ, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, কুয়েত এয়ারওয়েজের প্রকৌশলী শাহেদ সিনহা, মনিরুজ্জামান, প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী, প্রকৌশলী হুমায়ুন সুলায়মান কবির, প্রকৌশলী মুসতাফিজ, বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল কুয়েতের সভাপতি লুতফর রহমান মুকাই আলী, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমনসহ বাংলাদেশি প্রকৌশলী, ডাক্তার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

কুয়েতে দিন দিন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কুয়েতের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি–বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাতের কারিগরি বিভাগে বেশ সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল সহযোগিতা দিয়ে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা। তাদের কেউ কুয়েতের তেল মন্ত্রণালয়, কেউবা বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়, কেউ কৃষি মন্ত্রণালয় আবার কেউ বৈমানিক কিংবা টেলিকমিনেকেশন ইঞ্জিনিয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
গত শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) কুয়েতের কাবাদ অঞ্চলের একটি রিসোর্টে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ, (আইইবি) কুয়েত চ্যাপ্টারের বার্ষিক গেট টুগেদার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
দিনব্যাপী আনন্দ-উৎসবসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই মিলনমেলার। আয়োজনে ছিল নারী–পুরুষের বল নিক্ষেপ, বালিশ খেলা, বিঙ্গোসহ বিভিন্ন খেলাধুলা। গৃহিণীদের তৈরি পিঠা–পায়েশ, ফুচকা, চটপটি, নানান মিষ্টান্ন খাবারের সমারোহ।
কর্মব্যস্তময় প্রবাসজীবনে বছরে একটি দিন সবাই একত্র হয়ে তারা আনন্দিত হয়েছেন। পাশাপাশি তারা উদ্বিগ্ন দিন দিন কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সংখ্যার কমতি দেখে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল কুদ্দুস মল্লিক। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম।
এই মিলনমেলার মধ্য দিয়ে কুয়েতে বাংলাদেশি প্রকৌশরী ও তাদের পরিবারের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও মজবুত করার চেষ্টা করেন বলে জানান সংগঠনের চেয়ারম্যান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুয়েত এয়ারওয়েজের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল রহমান আল-দোইসারি, বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল করিম চৌধুরী, কুয়েতে নিয়োজিত বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টসের (বিএমসি) কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল আবেদীন, সংগঠনের অনারারি সেক্রেটারি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাহার আলী, কুয়েত জাতীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি (কেএনপিসি) প্রকৌশলী আবদুস সালাম, প্রকৌশলী আফতাব আহমেদ, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, কুয়েত এয়ারওয়েজের প্রকৌশলী শাহেদ সিনহা, মনিরুজ্জামান, প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী, প্রকৌশলী হুমায়ুন সুলায়মান কবির, প্রকৌশলী মুসতাফিজ, বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল কুয়েতের সভাপতি লুতফর রহমান মুকাই আলী, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমনসহ বাংলাদেশি প্রকৌশলী, ডাক্তার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে