
জামান সরকার, হেলসিংকি (ফিনল্যান্ড) থেকে

ফিনল্যান্ডে বাংলাদেশিদের প্রাণের সংস্কৃতি আর উৎসবের ছোঁয়ায় আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২। হেলসিঙ্কির নিকটবর্তী এসপো শহরের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করে বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘প্রত্যাশা’।
বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশে। ঢাকঢোলের তালে, বৈশাখী আলপনায় রাঙিয়ে, আর বাহারি পোশাকে সজ্জিত হয়ে প্রবাসীরা নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেন প্রাণভরে।

উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। যেখানে ছিল প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও দেশীয় সুরে ফিরে আসে বাংলার মাটি ও মানুষের গল্প। বৈশাখ বরণের নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয় গানে গানে, যা শ্রোতাদের আবেগে ছুঁয়ে যায়।
অনুষ্ঠানজুড়ে জমে ওঠে প্রাণবন্ত আড্ডা, বহুদিন পর পরিচিতজনকে কাছে পাওয়ার আনন্দ, আর স্মৃতির পাতা উল্টে দেখার মুহূর্ত। আবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে চলছিল হাস্যরস আর প্রাণখোলা কথোপকথন।
খাবারের স্টলগুলো ছিল ভোজনরসিকদের অন্যতম আকর্ষণ। পান্তা-ইলিশ, দেশীয় পিঠা, বিরিয়ানি, ভর্তা, মিষ্টান্নসহ নানা রকমের দেশি খাবার স্টলে উপস্থিত ছিল, যা দেশের স্বাদ ফিরিয়ে এনেছিল প্রবাসীদের জিভে ও মনে।
উল্লেখযোগ্য যে, এবারের বর্ষবরণ উৎসব দর্শকসংখ্যার দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিপুলসংখ্যক অংশগ্রহণকারী প্রাণভরে উপভোগ করেছেন এই আয়োজন, যা প্রবাসের মাটিতে বাঙালি সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—শাকিল, দীপু, মানিক, ইভা, দবির, হান্নান, পলি, ঝুমা, পিটু, লিজা, জনি, নাহিম, মবিন, কলি, শাওন, দিশা, ফারদিন, আলাউদ্দিন, জুঁই, জামান, সোনিয়া, তারেক, সূচনা, মাহিব, রায়ান, ডানিয়েল, ওসমান, রকি, স্বপ্নীল, সান্তা, তায়েবা, শাহেদ, নাহিদা, মাসুম, অদিতি, আলামিন, আইভি, প্রিন্স, রুপা, মনির, কৌশিক, সুমনা, শেহরান, আশিক, মুনিয়া, সারা, হাসান, মুন্নি, তুলি, মাহফুজ, দোলন প্রমুখ।
আয়োজক সংগঠন ‘প্রত্যাশা’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ও নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উৎসবমুখর আনন্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও তারা জানান।

ফিনল্যান্ডে বাংলাদেশিদের প্রাণের সংস্কৃতি আর উৎসবের ছোঁয়ায় আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২। হেলসিঙ্কির নিকটবর্তী এসপো শহরের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করে বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘প্রত্যাশা’।
বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশে। ঢাকঢোলের তালে, বৈশাখী আলপনায় রাঙিয়ে, আর বাহারি পোশাকে সজ্জিত হয়ে প্রবাসীরা নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেন প্রাণভরে।

উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। যেখানে ছিল প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও দেশীয় সুরে ফিরে আসে বাংলার মাটি ও মানুষের গল্প। বৈশাখ বরণের নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয় গানে গানে, যা শ্রোতাদের আবেগে ছুঁয়ে যায়।
অনুষ্ঠানজুড়ে জমে ওঠে প্রাণবন্ত আড্ডা, বহুদিন পর পরিচিতজনকে কাছে পাওয়ার আনন্দ, আর স্মৃতির পাতা উল্টে দেখার মুহূর্ত। আবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে চলছিল হাস্যরস আর প্রাণখোলা কথোপকথন।
খাবারের স্টলগুলো ছিল ভোজনরসিকদের অন্যতম আকর্ষণ। পান্তা-ইলিশ, দেশীয় পিঠা, বিরিয়ানি, ভর্তা, মিষ্টান্নসহ নানা রকমের দেশি খাবার স্টলে উপস্থিত ছিল, যা দেশের স্বাদ ফিরিয়ে এনেছিল প্রবাসীদের জিভে ও মনে।
উল্লেখযোগ্য যে, এবারের বর্ষবরণ উৎসব দর্শকসংখ্যার দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিপুলসংখ্যক অংশগ্রহণকারী প্রাণভরে উপভোগ করেছেন এই আয়োজন, যা প্রবাসের মাটিতে বাঙালি সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—শাকিল, দীপু, মানিক, ইভা, দবির, হান্নান, পলি, ঝুমা, পিটু, লিজা, জনি, নাহিম, মবিন, কলি, শাওন, দিশা, ফারদিন, আলাউদ্দিন, জুঁই, জামান, সোনিয়া, তারেক, সূচনা, মাহিব, রায়ান, ডানিয়েল, ওসমান, রকি, স্বপ্নীল, সান্তা, তায়েবা, শাহেদ, নাহিদা, মাসুম, অদিতি, আলামিন, আইভি, প্রিন্স, রুপা, মনির, কৌশিক, সুমনা, শেহরান, আশিক, মুনিয়া, সারা, হাসান, মুন্নি, তুলি, মাহফুজ, দোলন প্রমুখ।
আয়োজক সংগঠন ‘প্রত্যাশা’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ও নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উৎসবমুখর আনন্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও তারা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।