
বিডিজেন ডেস্ক

জাপানের রাজধানী টোকিওতে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাপান রেডক্রস সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এক রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রক্তদান কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
এর আগে স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিজয় দিবসের কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
পতাকা উত্তোলন করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।

পরে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শহীদ এবং এ বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনা পর্বে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং জাপানসহ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতাকারী সব বন্ধুরাষ্ট্র ও বিদেশি বন্ধুদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি জাপানপ্রবাসীসহ সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রদূত একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

জাপানের রাজধানী টোকিওতে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাপান রেডক্রস সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এক রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রক্তদান কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
এর আগে স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিজয় দিবসের কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
পতাকা উত্তোলন করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।

পরে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শহীদ এবং এ বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনা পর্বে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং জাপানসহ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতাকারী সব বন্ধুরাষ্ট্র ও বিদেশি বন্ধুদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি জাপানপ্রবাসীসহ সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রদূত একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।